কাপড় নিয়ে খেলা করতে পছন্দ করেন বিশ্বনন্দিত ফ্যাশন ডিজাইনার গ্রেস মুন। প্যাটার্ন আর রঙের মাধুর্যে পোশাক অবয়ব পায়। এবার ঢাকাও থাকল সাক্ষী। সম্প্রতি ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত ফ্যাশন শো ‘ফ্রোজেন ইন টাইম’-এ কোরিয়ান-আমেরিকান ফ্যাশন ডিজাইনার মুন কেবল তার দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক হ্যানবক নয়, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পাঞ্জাবিকেও নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন।
করব্যানের সহযোগিতায় লাইফস্টাইল সাময়িকী আইস টুডে আয়োজিত এই ফ্যাশন শোয়ের প্রথম পর্ব ছিল উভয় দেশের চিরাচরিত পোশাকের আধুনিক ও মিশ্র প্রদর্শন। ফ্যাশন ডিজাইনের শিক্ষার্থীদের কাছে দারুণ শিক্ষণীয় হতে পারে মুনের এসব পোশাক। এই পর্বের কয়েকটি পোশাকের কাপড়, নকশা আর প্যাটার্ন স্মরণ করিয়ে দেয় তার নিউইয়র্ক অভিযাত্রা। ২০১৭ সালের নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের শোতে এই ধরনের কাপড় ছিল তার সংগ্রহে। সিল্ক দিয়েই তিনি সংগ্রহ করেন। এখানেও সেই ধরনের পোশাক দেখা গেল, সিল্কের কাপড়ে তৈরি। হ্যানবক স্টাইলকে ভেঙেচুরে নানা আকার দিয়েছেন। টপ আর বটম উভয়ে পোশাকেই। বাদামি, বেস, হলুদ, সবুজ, পার্পল, ধূসর ইত্যাদি রঙে তৈরি হয়েছে টপস। এর বিপরীতে বটমগুলো একেবারেই অফ হোয়াইট। কিছু পোশাকের কাপড়ে রঙের উপস্থিতি, জ্যামিতিক নকশা মিল খুঁজে পাওয়া যায় ইভস সাঁ লোরের সৃজনের।
গ্রেস মুন বলেন, ‘এটা আসলে নিজের সংগ্রহের উপস্থাপনা নয় বরং একসঙ্গে কাজ করার আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। যাতে এই বিষণ্ন সময়ে আমরা সবাই এই সুখস্মৃতিকে লালন করতে পারি। তাই এই আনন্দসন্ধ্যার নাম ফ্রোজেন ইন টাইম।’
এদিকে, এই শো দিয়েই আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো জনপ্রিয় ফ্যাশন মডেল আজিমউদ্দৌলার ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘এজেড’। এজেডের সংগ্রহে ছিল নিটের শর্টস, লেদার জ্যাকেট, প্যান্ট, ট্রাউজার ইত্যাদি। এজেড পুরুষ পোশাক নিয়ে সচেতনভাবেই মাথা ঘামাচ্ছে, সেটা পোশাকগুলো দেখে বেশ বোঝা যায়। ব্র্যান্ড হিসেবে কেবল দেশেই নয়, বরং বিদেশেও পরিচিত করাতে চান আজিম। ফলে প্রস্তুতিটা শুরুতেই নিয়ে রাখছেন। এমনকি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন ডিজাইনারের সঙ্গে কাজ করার নেপথ্যেও রয়েছে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য। মডেল হিসেবে এক দশক পার করেছেন আজিম। নিজের ক্যারিয়ার অব্যাহত রেখেই একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ড লঞ্চ করেন গত বছর ঈদে।
