কুড়িগ্রামে শীতের দাপটে মানুষজন কাবু হয়ে পড়েছে। বয়ে যাচ্ছে হুঁল ফুটানো উত্তরে হিমেল হাওয়া। রবিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও ক্ষেতমজুর শ্রেণির মানুষজন। তীব্র ঠান্ডায় মাঠে কাজে যেতে পারছেন না। শীতজনিত নানান অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও প্রবীণ মানুষজন।
কুড়িগ্রাম আড়াইশ’ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক পুলক কুমার সরকার জানান, রবিবার শীতজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন। এর মধ্যে ১৯ জন শিশু। এ ছাড়া নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন ৭ জন। এর মধ্যে ৫ জন শিশু রয়েছে।
ওই চিকিৎসক আরও জানান, আক্রান্তরা সকলেই শিশু ও বৃদ্ধ। শীত বাড়লে বয়স্ক ও শিশুদের গরম কাপড় পরিধান ও প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী বুধবার পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে তিনি জানান।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখা জানায়, এ পর্যন্ত জেলার ৯ উপজেলায় ৩৫ হাজার পিস্ কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৬৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম্বল কিনে তা বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ৯ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবারের প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে।
