হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কুমড়োর বিচি

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৫৯ এএম

পুষ্টির আঁধার হিসেবে পরিচিত মিষ্টি কুমড়ার বিচি। সমৃদ্ধ ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন এবং ফাইবারের ভারপুর এই খাবার। দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সুপারিশ- স্বাস্থ্যকর ডায়েটে প্রতিদিন ৩০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বিচি রাখতে হবে।

  নিচে মিষ্টি কুমড়ার বিচির স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে তুলে ধরা হলো-

 ‘হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ভালো: কুমড়োর বিচিতে প্রয়োজনীয় চর্বি, ফাইবার এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সবই হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড, যা খারাপ রক্তের কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়।

ভালো ঘুমে সহায়ক: কুমড়োর বিচিতে আছে সেরোটোনিন। স্নায়ু নিয়ন্ত্রক এই রাসায়নিক বস্তুকে প্রকৃতির ঘুমের বড়ি বলা হয়। ট্রাইপটোফ্যান নামের অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়, যা ঘুম নিশ্চিত করে।

প্রদাহ প্রতিরোধী: এতে প্রদাহ প্রতিরোধী উপাদান রয়েছে। বাতের ব্যথাও কমায় এটি। অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে ভালো কাজে দেয়।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: প্রচুর পরিমাণে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ভাইরাসের সংক্রমণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয় এটি।

প্রোস্টেট ভালো রাখে: কুমড়োর বিচিতে আছে জিংক। যা পুরুষের উর্বরতা বাড়ায় ও প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে। এতে আছে ডিএইচইএ (ডাই-হাইড্রো এপি-অ্যান্ড্রোস্টেনেডিয়ন), যা প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

ডায়াবেটিসেও উপকারী: শরীরে নিয়মিত ইনসুলিন সরবরাহ করে এবং ক্ষতিকর অক্সিডেটিভ চাপ কমায়।

ওজন কমাতে সহায়ক: ছোট্ট এই খাবারেই পেট পূর্ণ থাকে অনেকক্ষণ। আর আঁশজাতীয় খাবার বলে হজমেও সময় লাগে। ফলে ক্ষুধা পায় না, শুধু শুধু বাড়তি খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখে।

যেভাবে খাবেন কুমড়োর বিচি

১. কাঁচা খেতে পারেন কিংবা একটু টেলে নিয়েও খাওয়া যায়।

২. কুমড়োর বিচি দিয়ে কেক, স্যুপ ও সালাদ বানিয়েও খেয়ে নিতে পারেন।

৩. ব্লেন্ড করে স্মুদি বানিয়ে খেতে পারেন।

৪. বাড়িতে তৈরি সসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত