বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। কিন্তু সঞ্চালন লাইন তৈরি শেষ হয়নি। ফলে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র পটুয়াখালীর পায়রার উৎপাদন ক্ষমতার ৪০ শতাংশের বেশি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। কবে নাগাদ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ শেষ হবে তা অনিশ্চিত। কেন্দ্রের চারটি ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসার আগে সঞ্চালন লাইন নির্মাণ শেষ না হলে বছরে লোকসান গুনতে হবে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ২০১৬ সালে নির্মাণ শুরু হওয়া পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট গত মে মাসে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। সমপরিমাণ ক্ষমতার আরেকটি ইউনিট গত বছর ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক উৎপাদনে এসেছে। কিন্তু উৎপাদিত বিদ্যুৎ ঢাকায় আনার জন্য সঞ্চালন লাইন নেই বলে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
ফলে পায়রার দুই ইউনিটের ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার বিপরীতে উৎপাদিত হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির ইউনিট হবে মোট চারটি। উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট। বাকি দুই ইউনিটের নির্মাণকাজ চলছে। তা চলতি বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি খচিয়াং শিগগিরই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পায়রার বিদ্যুৎ এখন বরিশাল বিভাগ থেকে শুরু করে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত আশপাশ এলাকায় দেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকে বিদ্যুৎ রাজধানীতে আনার জন্য ২০১৬ সালেই ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ হয়ে মোংলা পর্যন্ত একটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের প্রকল্প নেয় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিবি)। এটির নির্মাণকাজও শেষ হয়নি। এ সঞ্চালন লাইনটি নির্মাণের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত নেওয়া হয়।
গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকা সঞ্চালন লাইন নির্মাণ শেষ না হলে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোদমে চালানো যাবে না। আর এতে লোকসানিতে পড়বে সরকার। পায়রার ৬৬০ মেগাওয়াটের চারটি ইউনিট উৎপাদনে গেলে বছরে মোট কেন্দ্রভাড়া দাঁড়াবে ৬ হাজার ২৪০ কোটি টাকা। কেন্দ্রটির সব ইউনিট পুরোদমে সচল না করা গেলে বসিয়ে বসিয়ে বছরে এ পরিমাণ অর্থ ভাড়া হিসেবে দিতে হবে সরকারকে।
বর্তমানে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২০ হাজার মেগাওয়াট। উৎপাদন হয় সর্বোচ্চ ১০ হাজার মেগাওয়াটের মতো। ২০১৯ সাল পর্যন্ত ছয় বছরে বিদ্যুৎ বিভাগকে কেন্দ্রভাড়াবাবদ ৬৪ হাজার কোটি টাকা দিতে হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ বিষয়ে দেশ রূপান্তরকে বলেন, সময়মতো সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করতে না পারায় দেশের এত বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোদমে চালানো যাচ্ছে না। এর জন্য আর্থিক ক্ষতি হবে, এটা সত্য। এর আগে যারা পিজিসিবির দায়িত্বে ছিলেন, বিলম্বরের জন্য তারাই দায়ী। তিনি বলেন, সঞ্চালন লাইন নির্মাণের বিষয়টি এখন সর্বোচ্চ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে, যাতে চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ হয়।
ব্যয় ১৬ হাজার কোটি : পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) ও চীনের ন্যাশনাল মেশিনারি এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট করপোরেশন (সিএমসি)। এর ব্যয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। দুই প্রতিষ্ঠানের হিস্যা সমান, অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে।
পায়রা চালু হওয়ার আগে দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে। মেঘনা পাওয়ার লিমিটেড (এমপিএল) নামের এই কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৪৫০ মেগাওয়াট।
সরকার যে কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি করেছে, তার মধ্যে সবার আগে উৎপাদনে এসেছে পায়রা। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। রামপালে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে আসার কথা থাকলেও কেন্দ্র নির্মাণ শেষ করতে এখনো অনেক বাকি। এছাড়া কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে জাপানের অর্থায়নে সরকারি সংস্থা কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ চলছে।
আশপাশে চাহিদা কম : বরিশাল, গোপালগঞ্জ ও আশপাশে যতটুকু চাহিদা রয়েছে, পায়রায় ততটুকুই বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। বিকল্প হিসেবে বরিশালের ভাড়াভিত্তিক দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র (১২৮ মেগাওয়াট) বন্ধ করে দিলে উৎপাদন কিছুটা বাড়ানো সম্ভব। এর মধ্যে একটি কেন্দ্রে (১১০ মেগাওয়াট) ফার্নেস অয়েল দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ইউনিটপ্রতি ১৪ টাকার মতো খরচ হয়। অন্যটি গ্যাসভিত্তিক, সেখানে খরচ কম। পায়রায় এখন খরচ পড়ছে ইউনিটপ্রতি ৭ টাকার মতো। উৎপাদন বাড়লে তা ৫ টাকার আশপাশে নেমে আসবে।
পায়রা কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ আবদুল মওলা দেশ রূপান্তরকে বলেন, বাকি দুই ইউনিটের নির্মাণকাজ সময়মতোই শেষ হবে। কিন্তু সঞ্চালন লাইনের কাজ আদৌ শেষ হবে কি না, তা নিয়ে একটা শঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, এর আগে পায়রায় প্রথম ইউনিটের উৎপাদন শুরুর কার্যক্রম পিছিয়ে সঞ্চালন লাইনের অভাবে পিছিয়ে গিয়েছিল।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত ১৬০ কিলোমিটার লাইনটি ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিটের। এরপর সেখান থেকে ঢাকার আমিনবাজার পর্যন্ত উচ্চক্ষমতার সঞ্চালন লাইন তৈরি বাকি। ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ হয়ে মোংলা পর্যন্ত একটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের প্রকল্প কেন শেষ হয়নি, জানতে চাইলে প্রকল্পটির পরিচালক পিজিসিবির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোর্শেদ আলম খান বলেন, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব পেয়েছেন। তাই আগের বিষয়ে তার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
পরিবেশের ওপর কী প্রভাব : দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক ও বিরোধিতা রয়েছে। এর শুরু ২০১০ সালে বাগেরহাটে সুন্দরবনের পাশে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনার সময় থেকে। অভিযোগ রয়েছে, মাটি, পানি ও বাতাসে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, যা কেন্দ্রের ১৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ধরা পড়ে। অবশ্য বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে তৈরি, যা পরিবেশের ওপর প্রভাব সীমিত রাখে।
পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের হিসাবে, সেখানে উৎপাদন শুরুর পর গত বছর পর্যন্ত ১০ লাখ টনের কিছু বেশি কয়লা পোড়ানো হয়েছে। কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াটের ইউনিটের একটি ইউনিটের জন্য দৈনিক সাড়ে ছয় হাজার টন কয়লা প্রয়োজন হয়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা পোড়ানোর ফলে যে ছাই তৈরি হয়, তা ‘অ্যাশ হপারে’ ধরা হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই ছাই ভরা হয় ট্রাকে। দুই সিমেন্ট কারখানা ছাইগুলো (দিনে ১৮০ টন) কিনে নেয় তাদের কাঁচামাল হিসেবে। পুকুর বা অ্যাশপন্ডে কোনো জমাকৃত ছাই দেখা যায়নি। একইভাবে প্রতিদিন ১৮ টন জিপসাম উৎপাদিত হয়। তাও কিনে নেয় দুই প্রতিষ্ঠান। এই জিপসাম সিমেন্ট ও সার কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সরেজমিন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে সিলেকটিভ ক্যাটালিস্ট রিঅ্যাক্টর (এসসিআর) যন্ত্র চালু থাকতে দেখা গেছে। এ যন্ত্রটি মূলত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নির্গত নাইট্রোজেন অক্সাইড নিঃসরণের হার কমায়। কেন্দ্রটিতে নাইট্রোজেন অক্সাইডের নিঃসরণের হার ৩৫০ এমজি/এনএম৩। ফুয়েল-গ্যাস ডিসালফারাইজার্স (এফজিডি) যন্ত্রও চালু দেখা গেছে। এটি কেন্দ্রের সালফার অক্সাইডের নিঃসরণ কমায়। এফজিডির ইফিসিয়েন্সি ৯৩ শতাংশ বলে জানিয়েছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্র্তৃপক্ষ। কেন্দ্রটিতে পার্টিকুলেট ম্যাটার্সের মাত্রা কমানোর জন্য ব্যাগহাউজ বা ইলেকট্রো স্ট্যাটিক প্রিসিপিট্যাটর (ইএসপি) যন্ত্রও চালু দেখা গেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্র্তৃপক্ষের দাবি তাদের স্থাপিত ইএসপির দক্ষতা বা ইফিসিয়েন্সি ৯৯ শতাংশ।
এছাড়া কেন্দ্রের তরল বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) চালু থাকতে দেখা গেছে। কর্র্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২৯ কোটি ৬ লাখ লিটার পানি প্রয়োজন হয়। এ পানির ৯৫ শতাংশ পুনঃশোধন করে কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। বাকিটা নদীতে ফেলা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইটিপির মাধ্যমে যে পানি নদীতে ফেলা হয় তার তাপমাত্রা নদীর পানির স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।
বিসিপিসিএল (বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিডেট) কর্র্তৃপক্ষের দাবি, পরিবেশ রক্ষার জন্য স্থাপিত যন্ত্রপাতি কত সময় চালু থাকে তার তথ্য প্রতি মাসে পরিবেশ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়।
পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর পর পরিবেশের ওপর কী প্রভাব পড়ল, তা নিয়ে এখন পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কোনো সমীক্ষা হয়নি। স্থানীয় জেলে, চাষি ও সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারাও সুনির্দিষ্ট কোনো প্রভাবের কথা জানাতে পারেননি।
পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে চম্পাপুর ইউনিয়ন। আর উত্তরে রয়েছে লালুয়া, নিশানবাড়িয়া ও গোলবুনিয়া। আরও ৪৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সুন্দরবন। বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশ ইউনিয়নগুলোর মানুষের জীবিকার বড় উৎস নদীর মাছ ও কৃষিকাজ। কলাপাড়া উপজেলায় মৎস্যজীবী রয়েছেন সাড়ে ১৮ হাজার। আন্ধারমানিক নদী ইলিশের অন্যতম প্রজননক্ষেত্র। জেলেরা জানিয়েছেন, এ বছর নদীতে তারা ইলিশ কম পেয়েছেন।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের (বিএফআরআই) খেপুপাড়া নদী উপকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়ার কারণে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে কি না, তা এখনো যাচাই করে দেখা সম্ভব হয়নি। এটা বলতে হলে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
মৎস্য গবেষকরা বলছেন, সাগর থেকে মা ইলিশ ডিম পাড়ার জন্য নদীতে আসে। ডিম পাড়া শেষে আন্ধারমানিকে ইলিশ কিছুদিন অবস্থান করে। আর এ সময় ওই ইলিশ জেলেরা জালে আটকান। ফলে আন্ধারমানিক নদীকে তারা ইলিশের জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করছেন।
এ বছর ইলিশ মাছ কম ধরা পড়া প্রসঙ্গে উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী বলেন, ইলিশ সবসময় একইরকম হারে পড়ে না। তবে প্রকৃতির কিছুটা বৈরী আচরণ, পরিবেশের তারতম্য ইলিশ কম বা বেশি ধরা পড়ার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়। তিনি আরও বলেন, এ উপকূলে মাছ ধরার লোকের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু মাছের উৎপাদন বাড়ছে না কমছে তা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয়নি।
কলাপাড়া উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০টিতে লবণাক্ততা সমস্যা থাকলেও বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশপাশে দুটি ইউনিয়নে (চম্পাপুর ও ধানখালী) সে সমস্যা নেই। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পর ফসল উৎপাদনে কোনো সমস্যা হয়েছে কি না তা জানা নেই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল মান্নানের।
