পাপুলের এমপি পদ বাতিল প্রশ্নে রুলের শুনানি ২২ ফেব্রুয়ারি

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:৪৬ এএম

লক্ষ্মীপুর-২ আসন শূন্য ঘোষণা এবং ওই আসনে কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে থাকার বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের ওপর শুনানির জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। এ বিষয়ে রিট আবেদনকারীপক্ষের আরজির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করে। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শেখ আওসাফুর রহমান বুলু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম মুনীর।

গত বছর ৮ আগস্ট হাইকোর্ট পাপুলের এমপি পদে থাকার বৈধতার প্রশ্নে রুল জারি করে। লক্ষ্মীপুর-২ সংসদীয় আসন কেন শূন্য ঘোষণা করা হবে না এবং পাপুলের এমপি পদে থাকা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না রুলে তা জানতে চায় হাইকোর্ট। নির্বাচনী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়া, শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দাখিল করার অভিযোগ এনে পাপুলের ওই পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১৬ আগস্ট হাইকোর্টে এ আবেদনটি করেন গত সংসদ নির্বাচনে একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আবুল ফয়েজ।

অর্থ ও মানব পাচারের মামলায় গত ২৮ জানুয়ারি কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত পাপুলকে চার বছরের কারাদ-ের রায় দেয়। একই সঙ্গে তার সহায়তাকারী হিসেবে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক এক কর্মকর্তা এবং কুয়েতি দুই কর্মকর্তাকেও এ দন্ডসহ প্রত্যেককে ১৯ লাখ কুয়েতি দিনার অর্থদন্ড দেওয়া হয়। বিদেশে বাংলাদেশের কোনো আইনপ্রণেতার এভাবে দন্ডিত হওয়ার ঘটনা এই প্রথম। একজন আইনপ্রণেতা হিসেবে দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় তার এমপি পদ বহাল থাকবে কি না এমন সাংবিধানিক ও আইনি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এদিকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ১১ নভেম্বর পাপুল এবং তার স্ত্রী সংসদে সংরক্ষিত আসনের এমপি সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও পাপুলের শ্যালিকা জেসমিনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় সেলিনা ও ওয়াফা জামিনে রয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত