৪৬ বছরে পদার্পণ করল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তথা ডিএমপি। মহামারি করোনার কারণে স্বল্প পরিসরে শনিবার পালিত হচ্ছে দিবসটি।
‘শান্তি শপথে বলীয়ান’ এই মূলমন্ত্রে বাংলাদেশ পুলিশের বৃহৎ ইউনিট ডিএমপি ১৯৭৬ সাল থেকে রাজধানী ঢাকা মহানগরের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে কাজ করছে।
রাজারবাগের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়াম সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বিশেষ অতিথির তালিকায় আছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন ও ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
এ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
বাণীতে তারা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সর্ববৃহৎ ইউনিট ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই ইউনিটের সদস্যগণ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জান-মালের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ডিএমপির সদস্যগণ পেশাদারি, দক্ষতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে একটি যুগোপযোগী, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাফল্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।
আরও বলা হয়, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং ও উঠান বৈঠকের মতো সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সরব উপস্থিতি পুলিশি সেবাকে নগরবাসীর দোরগোড়ায় নিয়ে গেছে।
