জমি নিয়ে পৃথক তিন সংঘর্ষে ২১ জন আহত হয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে সংঘর্ষ হওয়ার পর আহতরা হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সংঘর্ষগুলো হয় জেলার সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের টোকাপাড়া, অমরখানা ইউনিয়নের মহিপাড়া এবং বোদা উপজেলার কাজলদীঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের তেলিপাড়ায়। হাফিজাবাদ ইউনিয়নে আহতরা হলেন নজরুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩৫), পতিজা বেগম (৫৫), মাসুদা বেগম (৩১), শাহিনা বেগম (৩১), জাহাঙ্গীর আলম (২৫), রাশেদুল ইসলাম (২৬), আসফ আলী সর্দার (৭০), আবু হানিফ (৪৯), তার স্ত্রী জুলেখা বেগম (৪৫) ছেলে জুয়েল (১৭), ভাগিনা মোস্তফা (৪৫), নাতি জাহাঙ্গীর আলম (২৪) এবং বেয়াই মনসুর আলী (৫৫) ও সংঘর্ষের ঘটনা দেখতে আসা ইব্রাহিম (৪৫)। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নজরুল ইসলামকে পাঠানো হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
হাসপাতালে গিয়ে জানা গেছে, এক একর জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। কিন্তু এক পক্ষ হঠাৎ করে অপর পক্ষের ওপর হামলা চালায়। এতে সংঘর্ষ বাধে।
মাসুদা বেগম নামে চিকিৎসাধীন এক নারী বলেন, আমরা ওই জমির মালিাকানা পেয়েছি। কিন্তু আবু হানিফ জোর করে ওই জমি দখল করে রেখেছে। থানা এবং চেয়ারম্যানের ডাকে তারা সাড়া দেয় না। এছাড়া, সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের মহিপাড়ায় তরিকুল ইসলাম (৫০) স্থানীয় আমিরুল ইসলামের জমির বাঁশ কাটতে গেলে সংঘর্ষে দুজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
অপরদিকে, বোদা উপজেলার কাজলদীঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের তেলিপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের সংঘর্ষে জাহের আলী পক্ষের পাঁচজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আহতরা হলেন জাহের আলীর মা হাওয়া বেগম (৫৫), তার তিন ছেলে মো. আসিফ (১৫), মো. শাকিল (১১) ও মো. আকাশ (১৭) এবং মেয়ে পারভিন (১৯)।
সদর ও বোদা থানার ওসি সংঘর্ষের সত্যতা স্বীকার করে জানান, এসব ঘটনায় কোনো পক্ষই অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
