করোনা মহামারীর শুরুতে পুঁজিবাজারে দরপতন রোধে বেঁধে দেওয়া শেয়ারের সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইস সাধারণভাবে বহাল রেখে বোনাস বা রাইট শেয়ার ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
এখন থেকে কোনো কোম্পানি ‘বোনাস শেয়ার’ বা ‘রাইট শেয়ার’ ঘোষণা করলে তার প্রভাবে সমন্বয় হওয়ার পর শেয়ারের যে দাম হবে, তাই হবে সেই শেয়ারের সংশোধিত ‘ফ্লোর প্রাইস’।
গতকাল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে বলা হয়, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সিকিউরিটিজ আইন ও অন্যান্য বিধিবিধান পরিপালন সাপেক্ষে ঘোষিত বোনাস শেয়ার বা রাইট শেয়ারের রেকর্ড ডেটের পর ‘ডাইলুশন ইফেক্ট’ বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ারের সমন্বিত দরকে সেই শেয়ারের সংশোধিত ফ্লোর হিসেবে ধরা হবে।
কোম্পানি বোনাস শেয়ার বা রাইট শেয়ার নামে বাড়তি শেয়ার বাজারে ছাড়ার ফলে ওই কোম্পানির বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের মালিকানার হার কমে যায়। সেটাকেই ‘ডাইলুশন ইফেক্ট’ বলা হয়।
