সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে সরকারিভাবে পুস্তক ক্রয়ের অর্থ চার কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকায় বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
তিনি বলেছেন, সম্ভব হলে উপযোজন করে মন্ত্রণালয়ের অব্যয়িত অর্থ হতেও পুস্তক ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর বাংলাবাজারস্থ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি কার্যালয়ে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গ্রন্থতালিকা’-এর প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুস্তকশিল্প এমন একটি শিল্প যেটি জাতিকে আলোকিতকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সৃজনশীল এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সম্ভাব্য সবকিছুই করা হবে। বর্তমান সরকার করোনা মহামারীকালে অর্থনীতির বিভিন্ন ড়্গেত্রে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার ওপর প্রণোদনা প্রদান করছে। পুস্তকশিল্পকে এ প্রণোদনার আওতায় আনার জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন ছোটনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উপদেষ্টা ওসমান গণি, সাবেক সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কায়সার-ই-আলম প্রধান ও সহ-সভাপতি শ্যামল পাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির রাজধানী শাখার সভাপতি মাজহারুল ইসলাম।
