পটুয়াখালীর বিস্তীর্ণ উপকূলে দিনদিন বিস্তৃত হচ্ছে রসালো ফল তরমুজের চাষ। অনুকূল আবহাওয়া এবং রোগবালাইয়ের প্রকোপ না থাকায় আগাম চাষেও মিলেছে বাম্পার ফলন। চাষিরাও পেয়েছেন উচ্চ বাজারমূল্য। এবার তরমুজের বাম্পার ফলনে খুশির ঝিলিক দেখা গেছে তরমুজ চাষিদের মুখে।
ভালো ফলন, উচ্চ বাজার চাহিদা এবং বেশ লাভজনক হওয়ায় পটুয়াখালীতে দিনদিন বাড়ছে রসালো মৌসুমি ফল তরমুজের চাষ। স্বল্প খরচে অধিক লাভের ফলে আগাম তরমুজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে দিনদিন। চলতি মৌসুমে আগাম চাষে মিলেছে বাম্পার ফলন। মৌসুমের তিন মাস আগে বাজারে আসায় চাষিরাও পেয়েছেন উচ্চমূল্য। তরমুজ চাষে রাঙ্গাবালি তার পুরনো অবস্থান ধরে রেখেছে। চলতি মৌসুমে জাহাজমারার চরের বালুর পতিত জমিতে তরমুজ চাষে সেখানকার কৃষকরা পেয়েছেন বাম্পার ফলনসহ উচ্চ বাজারমূল্য। নয়াপাড়া এলাকায় কৃষক মনির হাওলাদার বলেন, ১৫ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। বাম্পার ফলন হয়েছে। পুরো ক্ষেতের তরমুজ ১৫ লাখ টাকায় পাইকারদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার আবদুল মান্নান দেশ রূপান্তরকে জানান, পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে উন্নত জাতের তরমুজ আগাম চাষাবাদের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হয়েছে।
