জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে দুটি বইয়ের মেধাস্বত্ব ও গ্রন্থস্বত্ব জালিয়াতির অভিযোগে সাংবাদিক নাজমুল হোসেনের বিরুদ্ধে করা রিট আবেদনের রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৫ মার্চ সোমবার ধার্য করেছে হাইকোর্ট। গতকাল বৃহস্পতিবার রায়ের জন্য ধার্য থাকলেও বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আদেশে নতুন করে এদিন ধার্য করে। গত ৭ মার্চ এ বিষয়ে শুনানি শেষ হয়।
আদালতে রিট আবেদনকারীপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। নাজমুল হোসেনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
গত বছর ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারিসহ বঙ্গবন্ধুর নামের দুটি বইয়ের মেধাস্বত্ব চুরি ও গ্রন্থস্বত্ব জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেয়। এজন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয় আদালত। কমিটি গত বছর ১২ নভেম্বর হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। গ্রন্থস্বত্ব ও মেধাস্বত্ব জালিয়াতির অভিযোগে গত বছরের ৩১ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন একটি রিট আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মুজিববর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’-এর জন্য আটটি বই কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীনতা’ এবং ‘৩০৫৩ দিন’ নামের দুটি বইয়ের মেধাস্বত্ব চুরি ও গ্রন্থস্বত্ব জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এই দুটি বইয়ের পাশাপাশি অধ্যাপক নাসরিন আহমদ সম্পাদিত ‘অমর শেখ রাসেল’ বইটিরও মেধাস্বত্ব চুরি করে মোটা অঙ্কের টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ‘জার্নি মাল্টিমিডিয়া লিমিটেড’ ও ‘স্বাধীকা পাবলিশার্স’ নামে দুটি প্রকাশনা সংস্থার মালিক সাংবাদিক নাজমুল হোসেনের বিরুদ্ধে।
