ফেনীর ছাগলনাইয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ইউছুফ আলী খানের স্ত্রী রহিমা আক্তারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার রাতে ছাগলনাইয়া হাসপাতাল রোডস্থ মারজুক ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় ভাড়া বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের স্বামী এসআই ইউছুফ আলী বলেন, আমার স্ত্রী একজন মানসিক রোগী। ২০১২ সালে থেকে সে মানসিক রোগে ভুগছিল। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমি নিজ হাতে তাকে খাইয়ে দিতাম। সে প্রায় অস্বাভাবিক আচরণ করতো। সকল প্রকার চিকিৎসা অব্যাহত রেখেছি। মঙ্গলবার সে আমাকে বলেছিল আমার জন্য তোমার অনেক টাকা নষ্ট হচ্ছে আমি আর বাঁচতে চাই না। বুধবার দুপুরে প্রতিদিনের মতো খাওয়া-দাওয়া শেষে তাকে ওষুধ খাইয়ে দিয়ে বিকেল ৪টায় আমি থানায় ডিউটিতে যাই। কিছুক্ষণ পর খবর আসে সে ফাঁস দিয়েছে।
ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, এসআই ইউছুফের স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানতাম। ইউছুফ প্রায় তার স্ত্রীর চিকিৎসার বিষয়ে দৌড়াদৌড়ি করতো।
অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছেন ওসি।
রাতে নিহতের লাশ স্বামীর গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানাধীন হিঙ্গানগরে নেওয়া হয়েছে। নিহত রহিমা আক্তার দুই সন্তানের জননী ছিলেন।
