পোশাক কারখানা মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর ২০২১-২৩ মেয়াদের জন্য সভাপতি হতে যাচ্ছেন জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএ সাবেক সহসভাপতি ফারুক হাসান।
রবিবার ঢাকা অঞ্চলে রাজধানীর একটি হোটেলে ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিজিএমইএর নিজস্ব কার্যালয়ে সংগঠনটির সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৩৫ পরিচালক পদের মধ্যে সম্মিলিত পরিষদের মনোনীত ফারুক হাসানের প্যানেল ২৪টি এবং ফোরাম ১১টি পদে জয় পায়।
সর্বোচ্চ ১২০৪ ভোট পেয়েছেন ফারুক হাসান, অন্যাদিকে ফোরাম প্যানেল নেতা নির্বাচিত হতে পারেননি।
নির্বাচিত পরিচালকরা ১৫ এপ্রিল ১ জন সভাপতি, ঢাকা অঞ্চল থেকে ৫ জন ও চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে ২ জন সহসভাপতি নির্বাচিত করবেন। সাধারণত যিনি প্যানেল লিডার হন তিনিই সভাপতি হন। সেই হিসেবে ফারুক হাসানই হচ্ছেন আগামী দুই বছরের জন্য বিজিএমইএ সভাপতি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ছিলেন বর্তমানে দায়িত্বরত ফোরামের প্যানেল লিডার হান্নান গ্রুপের চেয়ারম্যান এবিএম সামছুদ্দীন।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ফারুক হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, “ভোটাররা আমায় ভোট দিয়েছেন এ জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি সম্মিলিত পরিষদের না, বিজিএমইএ’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো। সব সদস্যদের একত্রিত করে শক্তিশালী বিজিএমইএ গড়বো। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করো। আমি আমার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এজন্য সবার সহযোগিতা চাচ্ছি।”
নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে এবং ফলাফল মেনে নিয়েছেন জানিয়ে ফোরাম সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইব্রাহিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, “নতুন পর্ষদকে অভিনন্দন। আমরা এই পর্ষদকে পোশাক খাতকে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ারের নেতৃত্বে নির্বাচন বোর্ডে সদস্য হিসেবে ছিলেন এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি হাবিবুল্লাহ এন করিম ও ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান।
নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ২৩১৪ জন। এদের মধ্যে ঢাকায় ১৮৫৩ জন এবং চট্টগ্রামে ৪৬১ জন। মোট ভোট পড়েছে ১৯৯৬টি। এর মধ্যে ঢাকায় ১৬০৪টি এবং চট্টগ্রামে ৩৯২টি।
