চট্টগ্রামে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন, দুর্ভোগে শ্রমজীবীরা

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৫:১৭ পিএম

চট্টগ্রামে ঢিলেঢালাভাবে আট দিনের সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হলেও দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

বুধবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন সড়কে প্রাইভেট কার, রিকশা ও কিছু সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলতে দেখা গেছে। শহরজুড়ে ছিল রিকশার রাজত্ব। তবে রোজা শুরুর প্রথম দিন ও পয়লা বৈশাখের সরকারি ছুটি থাকায় ঘর থেকে লোকজন বের হয়েছে কম। তবে পোশাকশ্রমিকসহ বিভিন্ন কারখানার লোকজন সকাল থেকে গন্তব্যে পৌঁছার জন্য  দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

কারখানায় কাজ করা রহিম মিয়া জানান, যাতায়াতের জন্য কারখানা থেকে কোনো গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়নি। তার বাড়ি হাটহাজারী। সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে হাটহাজারী সদর থেকে নতুনপাড়া আসেন। সেখান থেকে রিকশায় করে অক্সিজেন মোড়ে যান। সেখানে কোনো গাড়ি না পাওয়ায় রিকশায় করে কালুরঘাট যান তিনি। স্বাভাবিক সময়ে ৫০ টাকায় কর্মস্থলে পৌঁছালেও আজ তার ৩০০ টাকা খরচ হয়েছে। কারখানা খোলা থাকায় বাধ্য হয়ে তাকে ঘর থেকে বের হতে হয়েছে।

নগরের জামালখানসহ বিভিন্ন স্থানে মিষ্টির দোকানগুলোয় ক্রেতাদের ভিড় ছিল উপচেপড়া। পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে মিষ্টি কিনতে বের হয় মানুষ।

নগরের বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক পুলিশের ১২টি ভ্রাম্যমাণ তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে বলে জানান নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) শাহ মুহাম্মদ আবদুর রউফ। 

তিনি বলেন, রাস্তায় বের হওয়া গাড়িগুলো পুলিশ তল্লাশি করছে। বিনা প্রয়োজনে কেউ বের হলে গাড়িগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কেউ মাস্ক না পরলে পরার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। চট্টগ্রামে মুভমেন্ট পাস নেওয়ার সংখ্যা কত জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরে যোগাযোগের জন্য বলেন তিনি।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক  বলেন, লকডাউন কার্যকরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত