ফেনী শহরের রামপুরে মারামারির খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য। এ সময় নুর মোহাম্মদ শামীম নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পুলিশের উপর হামলা ও কর্তব্য কাজে বাধা দেয়ার ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও ২০-৩০ জনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৯টার দিকে শহরের রামপুর কাউন্সিল মানিক এর এলাকায় অমি নামে এক যুবককে চড়-থাপ্পড মারে কয়েকজন যুবক।
এর জেরে রাত সাড়ে ১০টার উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফায় মারামারি হয়। এ সময় একটি সিএনজিঅটোরিকশা ভাংচুর করা হয়।
খবর পেয়ে কাউন্সিল মানিকের বাড়িসংলগ্ন ঘটনাস্থলে যায় শহর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কাজী মো. জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় ‘পুলিশ কেন এখানে আসছে’ বলে চড়াও হয়ে পুলিশকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি দেয়।
এতে জাহাঙ্গীর ছাড়াও কনস্টেবল মাহবুবুল হক ও আবুল বাশার আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিজাম উদ্দিন। পরে আহত পুলিশ সদস্যদের ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নুর মোহাম্মদ শামীম নামে এক যুবককে আটক করে।
মামলায় এজহারনামীয় আসামিরা হলেন-মানিক কমিশনার বাড়ির মকবুল আহমদের ছেলে নুর মোহাম্মদ শামীম, তার ভাই কামাল উদ্দিন, কামাল উদ্দিনের ছেলে কাইয়ুম বিন কামাল মুন, মৃদুল, তনু পাটোয়ারী বাড়ীর লাতু মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিনের ছেলে রাব্বি, আলী আজগর পাটোয়ারী বাড়ির মিলনের ছেলে আরাফাত শরীফ, ফয়েজ পাটোয়ারী বাড়ির লিটনের ছেলে প্লামিসহ ১৩ জনসহ ২০-৩০ জন।
শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুদ্বীপ রায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
তিনি জানান, আহতদের ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অপরাপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
