দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে আয়োজিত আসিয়ান বৈঠকের পর মিয়ানমারের ভবিষ্যত কোন পথে তার খুঁজতে মুখিয়ে দেশটির মানুষ। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মনে করছে, আসিয়ান নেতাদের চাপে তেমন কিছু হবে না!
সংস্থাটির ডেপুটি ডিরেক্টর ফিল রবার্টসনকে উদ্ধৃত করে দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, বৈঠকে আসিয়ান নেতারা মিয়ানমারের সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং লাইংয়ের থেকে কোনো লিখিত প্রতিশ্রুতি আদায় করতে পারেননি। সেনাবাহিনী যে সাড়ে তিন হাজার রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তার করেছে, তাদের মুক্তির বিষয়েও কোনো লিখিত চুক্তি হয়নি।
তিনি বলেছেন, ‘শান্তি ফেরানোর কোনো টাইমলাইনও বেঁধে দেয়া হয়নি। তাই এ বিষয়ে বেশি কিছু আশা করা ভুল।’
ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, শনিবার ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান সম্মেলনে যোগ দেন মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করা সামরিক বাহিনীর প্রধান।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় নেতারা মিয়ানমারে হত্যাকাণ্ডের তাৎক্ষণিক অবসান ও রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দাবি করেছেন।
ওই সম্মেলনে আসিয়ান দেশগুলোর নেতারা লাইংকে মিয়ানমারের বিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে অবিলম্বে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্মেলনে উইদোদো বলেন, ‘মিয়ানমারের পরিস্থিতি অগ্রহণযোগ্য। এটি হওয়া উচিত নয়। সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, মিয়ানমারে গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও শান্তি অবিলম্বে ফিরিয়ে আনতে হবে। মিয়ানমারের জনগণের স্বার্থকে সবসময় অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
মিয়ানমারে গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পর এটাই ছিল সামরিক বাহিনীর প্রধানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর।
