বাড়ির মালিকানার দাবিতে শকুনদের ‘যুদ্ধ ঘোষণা’

আপডেট : ০৮ মে ২০২১, ০২:১৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের এক রাজ্যে বাড়ির মালিকানা দাবি করে বসেছে এক ঝাঁক বিপন্ন ক্যালিফোর্নিয়া শকুন। ওই পরিবার জানিয়েছে, সম্পত্তির মালিকের বিপক্ষে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ করেছে শকুনের দল।

সপ্তাহান্তে কমপক্ষে ১৫টি শকুন তেহাচাপি শহরের সিন্ডা মিকোলসের বাড়িতে যুদ্ধংদেহী ভাব নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। ওই বাড়ির কন্যা সিয়েনা কুইনতেরো টুইটারে জানিয়েছেন, ‘তারা (শকুন) এখনো বাড়ি ছাড়েনি।’ শকুনেরা তাদের বাড়ির পাটাতন একেবারে ভেঙে ফেলেছেন বলেও জানান তিনি।

ওই শকুনের ঝাঁক তার মায়ের বাড়িতে প্রথমবার নামার পর থেকে টুইটারে একের পর এক আপডেট দিচ্ছেন কুইনতেরো। রেলিংয়ে পাখিগুলো ‘অশুভভাবে ঝুলছে’ বলেও জানান তিনি।

এক টুইটে কুইনতেরো লেখেন, ‘আমার মা এই পাখির দলটিকে থামানোর জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছেন। পাখিগুলো তার ছাদে ঝুলতে থাকে এবং সবকিছু সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে জগাখিচুড়ি অবস্থা সৃষ্টি করেছে।’

কুইনতেরো আরও জানান, পাখিগুলো টবে লাগানো গাছ, স্ক্র্যাচ করা পেইন্টওয়ার্ক এবং স্ক্রিনের দরজা ভাঙচুর করেছে। তবে, না কুইনতেরো না তার মা, কেউ এই পাখিদের উপস্থিতি নিয়ে কোনো অভিযোগ করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রে ৫০০ এর চেয়েও কম এই শকুন আছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রায় ১৬০টির রেকর্ড করা আছে। বৃহত্তর সুরক্ষিত পাখি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বেঁচে আছে এই শকুন প্রজাতি।

হঠাৎ করে পাখিগুলোর এই যুদ্ধ ঘোষণার কারণ, কুইনতরোর মায়ের সম্পত্তিটি পড়েছে শকুনদের ঐতিহাসিক আবাসস্থলের মধ্যে। যা মেনে নিতে পারছে না শকুনের দল। কুইনতরোর টুইট আমলে নিয়ে এমনটাই জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফিশ অ্যান্ড ওয়াল্ডলাইফ সার্ভিস।

ক্যালিফোর্নিয়া শকুন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শিকারী পাখিদের একটি। ক্যালিফোর্নিয়া ডিপার্টমেন্ট অব ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ অনুযায়ী, ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ল এবং ১৯৭১ সালে ক্যাালিফোর্নিয়া স্টেট ল পাখিটিকে সুরক্ষিত ও বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত