চুয়াডাঙ্গার সীমান্তবর্তী ৭ গ্রাম লকডাউন

আপডেট : ০২ জুন ২০২১, ০৭:২২ পিএম

সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় হঠাৎ বেড়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশের বাড়ি দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তবর্তী কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন এলাকায়। এ ইউনিয়নের সাত গ্রাম লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এ ছাড়া সংক্রমিত এলাকায় করোনা পরীক্ষায় নমুনা সংগ্রহে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

সেখানে এক দিনের নমুনা পরীক্ষায় ১১৮ জনের মধ্যে ২৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একইসঙ্গে চুল প্রক্রিয়াজতকরণ কেন্দ্রগুলো এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার বেলা ১২টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সাত গ্রাম পর্যায়ক্রমে লকডাউনের আওতায় আনা হয়। এ সময় গ্রামের প্রবেশ ও বাইরের পথ বাঁশ এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে প্রতিবন্ধকতা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ভারত সীমান্তবর্তী হওয়ায় ওই ইউনিয়নের হরিরামপুর ও শিবনগর গ্রামের বাসিন্দাদের করোনা পরীক্ষা করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বুধবার সকাল থেকে শিবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোভিড-১৯ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয়।

কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন এ ইউনিয়নের সাত গ্রাম লকডাউন করেছে। গ্রামগুলো হলো শিবনগর, হরিরামপুর, জাহাজপোতা, মুন্সিপুর, কুতুবপুর, পীরপুরকুল্লা ও হুদাপাড়া।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাত গ্রামের বাসিন্দা কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। সেই সঙ্গে বহিরাগত কেউ এসব গ্রামে প্রবেশ করতে পারবে না।

দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দিলারা রহমান জানান, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সাত গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। ওই এলাকায় একটি অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে, যেখানে সংক্রমিত এলাকার লোকজন গ্রামেই তাদের নমুনা পরীক্ষা করতে পারবেন। এ কার্যক্রমের প্রথম দিনেই দুটি গ্রামের ১২৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সেখানে ২৪ জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। কার্পাসডাঙ্গা এলাকায় চুল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রগুলো এক মাসের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত