বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নারীসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটি পিসিআর ল্যাবে ২১টি নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। জেলার সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মোংলায় সরকারি ছুটির দিনে র্যাপিট অ্যান্টিজেন ল্যাবে পরীক্ষা হয়নি।
এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৬ জনের পজিটিভ হয়। মোংলায় সংক্রমণের হার ছিল ৫০ শতাংশ। যা গতদিনের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ কম ছিল। (শুক্রবার ভোর ছয়টা থেকে শনিবার ভোর ছয়টা পর্যন্ত)।
বাগেরহাট সদরে একজন, মোংলা উপজেলাতে দুইজন এবং মোরেলগঞ্জে একজন মারা যান।
এই নিয়ে বাগেরহাট জেলায় করোনাভাইরাসে সংক্রমণে ৫৫ জনের মৃত্যু হল।
এদিকে, জেলার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মোংলা উপজেলায় প্রশাসনের আরোপ করা কঠোর বিধিনিষেধ ঢিলেঢালাভাবে চলছে। মোংলা পৌরসভা এলাকায় দোকানপাট বন্ধ থাকলেও সাধারণ মানুষ নানা অজুহাতে বাইরে ঘোরাফেরা করছে। আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ চলবে।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির সকালে এই প্রতিবেদককে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বাগেরহাটে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নারীসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা ও বাগেরহাটে তাদের মৃত্যু হয়।
সরকারি ছুটি থাকায় শুক্রবার মোংলা উপজেলায় র্যাপিট অ্যান্টিজেন ল্যাবে কোনো পরীক্ষা হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার আরটি পিসিআর ল্যাবে ২১টি নমুনা পরীক্ষায় ৬ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। জেলায় সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশের কম।
