চায়না নারী টেকনিশিয়ানের পর এবার মোংলা ইপিজেডের ৫ আনসার সদস্যের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যার ফলে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকিতে পড়েছে ইপিজেড। এ নিয়ে ইপিজেডের বিভিন্ন কলকারখানা ও শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৩ জন করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন। এর মধ্যে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই ১৫ জনের মধ্যে রয়েছে ইপিজেডের ৫ আনসার সদস্য।
এর আগে গত রবিবার ইপিজেডের জিনলাইট গার্মেন্টস’র টেকনিশিয়ান জিংয়াও কিন জুয়ানের (৩৩) করোনা শনাক্ত হয়।
মোংলা ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক মো. মাহবুব আহমেদ সিদ্দিক বলেন, করোনা আক্রান্ত চায়না নারী টেকনিশিয়ান জিংয়াও কিন জুয়ান এখন সুস্থ আছেন। আর নতুন করে যে ৫ জন আনসারের করোনা শনাক্ত হয়েছে তাদেরকে ইপিজেডের নির্দিষ্ট করোনা ইউনিটে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের করোনা বিধিনিষেধ আমরা শতভাগ মেনে চলছি। তারপরও ইপিজেডের সকল কলকারখানা ও শ্রমিকদের সেই বিধিনিষেধ আরও কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার মোংলায় করোনা শনাক্তের হার ছিল ৬৫ ভাগ। এর আগে সোমবার যা ছিল ৩২ ভাগে। একদিনের ব্যবধানে এখানে শনাক্তের হার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে এখানে শনাক্তে হার একটু বেশি হলেও মূলত পরীক্ষা করাতে আসা লোকের সংখ্যা কমছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে।
বর্তমানে এখানে গড় শনাক্তের হার ৫৪ ভাগ বলে জানিয়েছেন তিনি।
