টাঙ্গাইলের বাসাইলে গ্রাহকের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালানো ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি সারোয়ার হোসেন সবুজকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে জরুরি সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মো. কামরান খান বিপুল। বাসাইলের ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি সারোয়ার হোসেন সবুজের বিরুদ্ধে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এ নিয়ে দেশ রূপান্তরের অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে গত শুক্রবার রাতে জরুরি সভায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির পদ থেকে সবুজকে বহিষ্কার করা হয়। বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগ আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার কারণে সবুজকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মো. কামরান খান বিপুল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে আমরা সবুজকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। সবুজকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের বিষয়ে আমরা জেলা কমিটিকে জানিয়েছি।’
তিন বছর আগে ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাসাইলের আইসড়া বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ চালু করে। ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ সেখানে এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। ব্যাংকিং কার্যক্রম চলাকালে তিনি কৌশলে গ্রাহকদের কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গা ঢাকা দেন।
সবুজের চাচাতো ভাই আরিফ সরকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গত ১৫ দিন ধরে সবুজ পলাতক রয়েছে। তার কোনো প্রকার খোঁজ আমরা পাচ্ছি না। সে যেসব গ্রাহকদের টাকা নিয়ে পালিয়েছে, পারিবারিকভাবে তাদের টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে।’
