যশোরে প্রাইভেটকার ও ট্রাকের সংঘর্ষে ৪ নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। রবিবার বেলা পোনে ১২টার দিকে যশোর সদর উপজেলার নিমতলী ধোপাখোলা নামক স্থানে বেনাপোল সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সকলেই প্রাইভেটকার আরোহী। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তিনজনের এবং যশোর জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে একজনের।
আহত ব্যক্তি ও নিহত দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। নিহত প্রাইভেটকার চালকের নাম রাফসান চৌধুরী সাদনাম (৩০) ও অপর জনের নাম নাইম (৩০)।
আহত ব্যক্তির নাম শাহাবুদ্দিন (৪০)। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা এলাকায় বলে তিনি জানিয়েছেন। হতাহতরা অধিকাংশই যুবদল ও ছাত্রদলের রাজনীতি করেন বলে জানিয়েছেন যশোর জেলার ওই দলের নেতারা।
নিহত সাদনাম চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানিয়েছেন যশোর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিনুর রহমান সাগর। তার বাবা ইকবাল চৌধুরী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
যশোরের চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ রোকিবুজ্জামান স্থানীয়দের বরাতে জানান, বেনাপোলমুখী প্রাইভেট কার (ঢাকা মোট্রো-গ- ১৫-৭০৫৪) ও একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যায়।
হতাহতদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মৃত্যু হয় একজনের।
জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক অভিজিৎ রায় জানান, মাথায় আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নিহত হয়েছে হাসপাতালে আনা ব্যক্তি। আহত ব্যক্তির মাথায় ও হাতের কুনুইয়ে আঘাত রয়েছে। তবে তিনি শংকামুক্ত।
আহত শাহাবুদ্দিন জানান, তারা পাঁচ জন কোরবানির গরু কেনার জন্য বেনাপোল যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে বের হন শনিবার। তিনি ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী বলে জানান।
শাহাবুদ্দিন চট্টগ্রাম বায়েজিদ থানা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বলে জানিয়েছেন যশোর জেলা যুবদলের সভাপতি এম.তমাল আহমেদ।
ঘটনাস্থলে হতাহতদের একটি ব্যাগে থাকা কার্ড থেকে পাওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ইব্রাহিম হোসেন নামে এক ব্যক্তির সাথে কথা হয়।
তিনি জানান, নিহত নাইম তার ছোট বোনের স্বামী। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার ওয়াজিদিয়া গ্রামে।
যশোর-বেনাপোল সড়কের নাভারণ হাইওয়ে থানার পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে নিহত তিনজনের মরদেহ হাইওয়ে থানায় নেয়া হয়েছে। স্বজনদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হবে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিহত ব্যক্তির মরদেহ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।
নিহত অন্যদের পরিচয় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যশোরে প্রাইভেটকার ও ট্রাকের সংঘর্ষে ৪ নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। রবিবার বেলা পোনে ১২টার দিকে যশোর সদর উপজেলার নিমতলী ধোপাখোলা নামক স্থানে বেনাপোল সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সকলেই প্রাইভেটকার আরোহী। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তিনজনের এবং যশোর জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে একজনের।
আহত ব্যক্তি ও নিহত দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। নিহত প্রাইভেটকার চালকের নাম রাফসান চৌধুরী সাদনাম (৩০) ও অপর জনের নাম নাইম (৩০)।
আহত ব্যক্তির নাম শাহাবুদ্দিন (৪০)। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা এলাকায় বলে তিনি জানিয়েছেন। হতাহতরা অধিকাংশই যুবদল ও ছাত্রদলের রাজনীতি করেন বলে জানিয়েছেন যশোর জেলার ওই দলের নেতারা।
নিহত সাদনাম চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানিয়েছেন যশোর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিনুর রহমান সাগর। তার বাবা ইকবাল চৌধুরী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
যশোরের চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ রোকিবুজ্জামান স্থানীয়দের বরাতে জানান, বেনাপোলমুখী প্রাইভেট কার (ঢাকা মোট্রো-গ- ১৫-৭০৫৪) ও একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ট্রাকটি দ্রুত পালিয়ে যায়।
হতাহতদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মৃত্যু হয় একজনের।
জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক অভিজিৎ রায় জানান, মাথায় আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নিহত হয়েছে হাসপাতালে আনা ব্যক্তি। আহত ব্যক্তির মাথায় ও হাতের কুনুইয়ে আঘাত রয়েছে। তবে তিনি শংকামুক্ত।
আহত শাহাবুদ্দিন জানান, তারা পাঁচ জন কোরবানির গরু কেনার জন্য বেনাপোল যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে বের হন শনিবার। তিনি ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী বলে জানান।
শাহাবুদ্দিন চট্টগ্রাম বায়েজিদ থানা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বলে জানিয়েছেন যশোর জেলা যুবদলের সভাপতি এম.তমাল আহমেদ।
ঘটনাস্থলে হতাহতদের একটি ব্যাগে থাকা কার্ড থেকে পাওয়া মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ইব্রাহিম হোসেন নামে এক ব্যক্তির সাথে কথা হয়।
তিনি জানান, নিহত নাইম তার ছোট বোনের স্বামী। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার ওয়াজিদিয়া গ্রামে।
যশোর-বেনাপোল সড়কের নাভারণ হাইওয়ে থানার পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে নিহত তিনজনের মরদেহ হাইওয়ে থানায় নেয়া হয়েছে। স্বজনদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হবে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিহত ব্যক্তির মরদেহ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।
নিহত অন্যদের পরিচয় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
