সময় ও কালকে গালি দেওয়া নিষিদ্ধ
সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমি বলতে শুনেছি, মহীয়ান গরীয়ান আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান সময় ও কালকে গালমন্দ করে, অথচ আমিই সময়, আমার হাতেই রাত ও দিন (এর বিবর্তন সাধিত হয়)। সহিহ মুসলিম : ৫৬৬৭
তওবায় আল্লাহ খুশি হন
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, আমার প্রতি বান্দার বিশ্বাসের অনুরূপ (আল্লাহর প্রতি বান্দার ধারণা অনুযায়ী) তার সঙ্গে আচরণ করি। সে যখন যেখানে আমাকে স্মরণ করে, আমি তার সঙ্গে আছি। মরুভূমিতে তোমাদের কেউ হারানো (বাহন) পশু পাওয়ার পর যে পরিমাণ খুশি হয়, আল্লাহতায়ালা বান্দার তওবার পর এর থেকেও অধিক খুশি হন। যদি কেউ এক বিঘত পরিমাণ আমার (আল্লাহর) দিকে এগিয়ে আসে, তবে আমি তার প্রতি একহাত এগিয়ে যাই। যদি কেউ একহাত পরিমাণ আমার দিকে এগিয়ে আসে, তবে আমি এক ‘বাগ’ (দু’বাহু ডানে বামে প্রসারিত করলে যে দূরত্ব হয়) পরিমাণ তার দিকে এগিয়ে যাই। যদি কেউ আমার দিকে হেঁটে আসে তবে আমি তার দিকে ছুটে যাই। সহিহ মুসলিম : ৬৭০০
বরকতময় দুই শব্দ
হজরত আবু মালেক আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পবিত্রতা হলো ইমানের অর্ধেক অংশ। ‘আলহামদুলিল্লাহ’ (শব্দটি) পাল্লাকে ভরে দেয়। ‘সুবহানাল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ’ (পাল্লাকে) ভরে দেয়, কিংবা নবী কারিম (সা.) বলেছেন, আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান ভরে দেয়। নামাজ হলো আলো, সদকা হলো প্রমাণিকা আর ধৈর্য হলো জ্যোতি। কোরআন তোমার পক্ষে কিংবা বিপক্ষে দলিল। প্রত্যেক মানুষ প্রত্যেহ আপন সত্তাকে বিক্রি করে, তখন কেউ সত্তার উদ্ধারকারী হয় আর কেউ হয় ধ্বংসকারী। সহিহ মুসলিম : ৪২৭
ফেরেশতাদের দোয়া
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায় অথবা নিজের ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যায় একজন ঘোষক (ফেরেশতা) তাকে ডেকে বলতে থাকে, কল্যাণময় তোমার জীবন, কল্যাণময় তোমার এই পথ চলাও। তুমি তো জান্নাতের মধ্যে একটি বাসস্থান নির্দিষ্ট করে নিলে। সুনানে তিরমিজি : ২০০৮
