এবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি প্রসাদ শর্মা অলি ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের জন্য আম উপহার পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার বিকেলে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ১ টন হাড়িভাঙা আম নিয়ে ভারতের ফুলবাড়ি স্থলবন্দর হয়ে নেপালের উদ্দেশে যাত্রা করে একটি পিকআপ। এর আগে গতকাল দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দিয়ে পিকআপে করে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ৩০০ কেজি (সাড়ে ৭ মণ) হাড়িভাঙা জাতের আম পাঠানো হয়।
এর আগে গত রবিবার প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য ২ হাজার ৬০০ কেজি আম উপহার পাঠানো হয়।
গতকাল বিকেল ৬টায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট দাস অ্যান্ড সন্সের মাধ্যমে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর জন্য উপহারের আমের ১০০টি কার্টন নিয়ে দেশটির উদ্দেশে যাত্রা করে একটি পিকআপ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাকিবুল ইসলাম, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ, স্থলবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত আলী, কাস্টমস সুপার রতন চন্দ্র শীল, তেঁতুলিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বেনজির আহমেদ, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনের পরিদর্শক নজরুল ইসলাম, ট্রাফিক পরিদর্শক সাইদুর রহমান সাগর, ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বাংলাবান্ধা কোম্পানির কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. ওয়াহিদ প্রমুখ।
এদিকে গতকাল দুপুর ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দিয়ে পিকআপযোগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ৩০টি কার্টনে ৩০০ কেজি আম পাঠানো হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বন্দরের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কাস্টম সুপারিন্টেনডেন্ট (ট্রাফিক) মোহাম্মদ আলী এবং ভারতের পক্ষে আম গ্রহণ করেন আগরতলা বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রেজাউল হক চৌধুরী, সহকারী হাইকমিশনার মো. জোবায়ের হোসেন, আগরতলা হাইকমিশনের সচিব আসাদুজ্জামান এবং ত্রিপুরা স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক দেবাশীষ নন্দী। উপহারের এই আম আগরতলা বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে।
