কাল থেকে ৩ দিন আগের সময়সূচিতে ব্যাংকে লেনদেন

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২১, ০৩:৪৫ এএম

করোনা মহামারীর সংক্রমণ বাড়লেও ঈদ-পূর্ববর্তী ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই), আগামী রবিবার (১৮ জুলাই) ও সোমবার (১৯ জুলাই) পুরোপুরি স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংক খোলা থাকবে।

অর্থাৎ এই তিন দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন চলবে। ব্যাংকের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্মীদের সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্যাংকে থাকতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে ঈদের আগে এই তিন দিনের বাইরে পোশাক শিল্প এলাকায় আরও দুই দিন ব্যাংক খোলা থাকবে। অর্থাৎ আগামী শনিবার (১৭ জুলাই) ও মঙ্গলবার (২০ জুলাই) ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো খোলা থাকবে।

এ দুই দিন শাখাগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে। এছাড়া লেনদেনের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লিয়ারিং ব্যবস্থাও চালু থাকবে। তবে ক্লিয়ারিং ব্যবস্থা সুষ্ঠুরূপে পরিচালনার স্বার্থে পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট এলাকার বাইরে অবস্থিত কোনো ব্যাংক শাখার ওপর চেক দেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশনায় বলা হয়।

গত দুই সপ্তাহ কঠোর বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকলেও ঈদুল আজহা উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামীকাল ১৫ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করে সরকার। এই সময়ে দোকানপাট খুলবে ও গণপরিবহন চলাচল করবে। ফলে ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রয়োজনে ব্যাংক খোলা রাখার নতুন এই সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে ঈদের পর আবার ব্যাংকগুলোতে সীমিত পরিসরে লেনদেনের নির্দেশনা রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১.৩০টা পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন করা যাবে। লেনদেনের সময় অবশ্যই মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে ব্যাংকিং লেনদেন করতে বলা হয়েছে। বিধিনিষেধ চলাকালে গ্রাহকের হিসাবে নগদ বা চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট বা পে অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা বা অনুদান বিতরণ, একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা সংবলিত ব্যাংকের সব গ্রাহকের এবং ওই সুবিধার বাইরে থাকা ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পেমেন্ট বা ক্লিয়ারিং ব্যবস্থায় লেনদেন সুবিধা দিতে হবে। এছাড়া জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত কার্যাবলিও চালু রাখতে হবে।

কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখার নির্দেশনাও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহ ও সার্বক্ষণিক চালু রাখতে বলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত