চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা হবে নাকি বিকল্প পদ্ধতিতে ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ বৃহস্পতিবার। বেলা ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানাবেন। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কয়েক দফা উদ্যোগ নিয়েও শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফেরানো যায়নি। ফলে মহামারীকালে কোনো পাবলিক পরীক্ষায়ও বসতে পারেনি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে চলে যাওয়ায় গত ২৭ জুন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের কার্যক্রম স্থগিত করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। গত বছর মহামারীর আগে এসএসসি পরীক্ষা হলেও এইচএসসি পরীক্ষার আয়োজন করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে এইচএসসির পরীক্ষার্থীদের ‘অটোপাস’ দেওয়া হয়।
এবার শুরু থেকেই ‘অটোপাস’ না দেওয়ার কথা বলে আসছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা আয়োজনের পক্ষে থাকলেও ভারতে পাওয়া করোনাভাইরাসের ডেলটার ধরন বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নাজুক হওয়ায় সরকারকে এ বিষয়ে এখন নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেছেন, পরিকল্পনা ছিল সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়েই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদি পড়ানো না যায়, তাহলে অ্যাসাইনমেন্ট করা হচ্ছে, সেটা করেই মূল্যায়নে যাব, নাকি এসএসসির ওপর ভিত্তি করে এইচএসসির মূল্যায়ন করব? তাহলে এসএসসির কী হবে? এ ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণির মূল্যায়ন শুধু পাব। কীভাবে মূল্যায়নটা হবে সে বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেব।’ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কলেজ-বিশ^বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হলেও মহামারীর অবনতিশীল পরিস্থিতিতে ৩০ জুন শিক্ষামন্ত্রী সংসদে এমন দাবি অবান্তর বলে নাকচ করে দেন।
