পশুর হাটে ক্রেতা কম বিক্রেতারা হতাশ

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ০১:৩১ এএম

সোনারগাঁয়ে কোরবানির জন্য প্রায় ২২ হাজার পশুর চাহিদা থাকলেও একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন খামার ও ব্যক্তি পর্যায়ে পশু আছে মাত্র ৫ হাজার। উপজেলায় কোরবানির পশুর ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১৭ হাজার। ঘাটতি পূরণের জন্য উপজেলার বাইরে থেকে আসা পশুর ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

উপজেলায় এবার দুটি স্থায়ী পশুর হাটসহ মোট ১৭টি পশুর হাটের অনুমতি দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এসব হাটে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইতিমধ্যে পশু আসতে শুরু করেছে। বেশ কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটগুলোতে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও ক্রেতা খুবই কম। ক্রেতা কম হওয়ার কারণ জানতে চাইলে গরুর বেপারিরা জানান, তারা খুবই হতাশ। তবে ঈদের আরও তিন দিন বাকি। শেষ মুহূর্তে হাট জমে ওঠার আশায় তারা।

সোনারগাঁ প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় ৯৬৬টি খামারে কোরবানি উপযোগী ষাঁড় রয়েছে ৩ হাজার ৭৯৭টি। এছাড়া মহিষ, ছাগল ও ভেড়াসহ প্রায় ৫ হাজার কোরবানির পশু রয়েছে।

করোনার কারণে বেশিরভাগ ক্রেতাই খামারি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে কোরবানির পশু কেনায় আগ্রহী। অনলাইনেও কিনছেন কেউ কেউ।

উপজেলার ষোলপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের পশুর খামারে গিয়ে দেখা গেছে তার অর্ধশত গরুর বেশিরভাগই বিক্রি হয়ে গেছে। নজরুল জানান, ‘খামার থেকেই আমার অধিকাংশ গরু বিক্রি হয়ে গেছে।’

উপজেলার নয়াপুর পশুর হাটের ইজারাদার জয়নাল মিয়া জানান, ‘হাটে ক্রেতা একেবারেই কম। এ অবস্থা থাকলে লোকসান গুনতে হবে।’

উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, সোনারগাঁয়ে বাইরে থেকে আসা পশু দিয়েই চাহিদা পূরণ হয়ে থাকে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির পশু এনে বাড়িতে রেখে বিক্রি করছেন, তাই হাটে চাপ কম।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত