করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য মোনাজাত

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ১০:০৬ এএম

করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়েছে ঈদের জামাতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। নামাজ শেষে মহামারী থেকে মুক্তি চেয়ে মোনাজাত ধরেন মুসল্লীরা।

সকাল ৭টায় বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। 

এ মসজিদে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার রিজাউল করিম, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। এই মসজিদে আরও দুটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। 

এ ছাড়া জেলার সব মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদের জন্য কর্তৃপক্ষ মসজিদের প্রবেশ পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখে। মুসল্লিরা মূখে মাস্ক পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে সারিবদ্ধভাবে মসজিদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মুসল্লিরা একে অপরের সাথে মুখে কুশলাদি বিনিময় করলেও যুগ যুগ ধরে চলে আসা ভ্রাতৃত্বের বন্ধন কোলাকুলি কেউ করেননি।

নামাজ শেষে করোনাসহ সব মহামারী থেকে যেন আল্লাহ আমাদের মুক্তি দেন সেই দোয়া করেন বলে জানিয়েছেন ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আকতারুজ্জামান বাচ্চু।

নামাজ আদায় শেষে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, করোনা মহামারিকালে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদে তিনটি জামাতের ব্যবস্থা রাখা হয়। কোরবানির ঈদ হচ্ছে ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর। কোরবানীর সাথে সাথে আপনাদের মনের মধ্যে যে পশুত্ব আছে তার কোরবানী দিয়ে ভ্রাতৃত্ববোধে আবদ্ধ হয়ে জেলাবাসীর সেবায় নিয়োজিত থাকব। করোনা মহামারির কারনে সবার স্বাভাবিক কাজ কর্ম  ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই আল্লার কাছে দোয়া করব করোনা মহামারী থেকে আমাদের দেশকে মুক্তি দেন এবং আমরা যেন সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারি।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত