ঈদের দিন মাধবপুর লেকে পর্যটকদের আনাগোনা

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ০৯:১৭ পিএম

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় লকডাউন শিথিল থাকলেও পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে অনেক আগে থেকেই। কিন্তু মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ঈদের দিন (ঈদুল আজহা) স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মাধবপুর চা-বাগান লেকে প্রায় ২-৩ হাজার পর্যটককে আনাগোনা করতে দেখা গেছে।

বুধবার ঈদের দিন বিকেলে মাধবপুর চা-বাগান লেকে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে নারী-পুরুষ ও শিশুরা দলবেঁধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

লেকে প্রবেশের প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে চা-কারখানার সামনের গেটে পর্যটকদের মোটরসাইকেল ও যানবাহন আটকে দিলেও টাকার বিনিময়ে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে পর্যটকদের।

image

কেউ কেউ টাকা দিতে না পেরে লুকিয়ে চা-বাগানের ভেতর দিয়ে পায়ে হেঁটেই লেকে প্রবেশ করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধবপুর লেকের গেটম্যান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সরকার দেশের সকল পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রেখেছে। মাধবপুর লেকও বন্ধ ছিল। কিন্তু আজ ঈদের দিন সকাল থেকে লেকে পর্যটকরা প্রবেশ করছে। কারও মুখে মাস্ক নেই, মাস্ক কোথায় জিজ্ঞাসা করলেও ধমক দেয় আমাদের। সামনের গেইটগুলোর দায়িত্বে থাকা গেটম্যানরা ভেতরে মোটরসাইকেল ও পায়ে হেটে প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে বলেই তো এতো পর্যটকের ঢল নেমেছে। আমাদের কিছু করার নেই।’

তবে টাকার বিনিময়ে পর্যটকদের প্রবেশের বিষয়ে মাধবপুর লেকের ২নং গেটম্যান ধরমবীর মন্ডলের সাথে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘লেকে পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধ থাকলেও পর্যটকরা কোনো নিষেধাজ্ঞা মানছেন না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে জোর করে লেকে পর্যটকদের প্রবেশ করার বিষয়টি আমি গেটম্যানদের কাছ থেকে জেনেছি। আর টাকার বিনিময়ে গেট পাস দেয়ার বিষয়টি এখন জানলাম, আমি চা-বাগান কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।’

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘করোনাকালীন সময়ে পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ কোনভাবেই মানা যাবে না। দলবেঁধে এভাবে স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে ঘুরে বেড়ানোর কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না।

তিনি বাগান কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন বলে জানান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত