কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যেও আজ বৈরী আবহাওয়ায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে ঢাকামুখী অনেক মানুষকে নদী পার করতে দেখা গেছে।
বিধিনিষেধের ৭ম দিন আজ সকাল থেকে ছুটছেন ঢাকামুখী মানুষ। এ সকল মানুষ বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।
সরেজমিনে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দেখা যায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা। কেউ হেঁটে, কেউ মাথায় পলিথিন নিয়ে, অটোরিকশায়, প্যাডেল রিকশায় করে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে নামছেন।
আবার অনেকে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, রিজার্ভ করে ঘাটে যাচ্ছেন। তারা সরাসরি ফেরিতে উঠছেন।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাটুরিয়া থেকে আসা রো রো ফেরি আমানত শাহ দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে এসে ভেড়ে। এ সময় ফেরিতে কয়েকটি ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী যানবাহন এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী দেখা যায়।
এ সময় দেখা যায় প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে শতাধিক যাত্রী, কয়েকটি মোটরসাইকেল ও কয়েকটি যানবাহন নিয়ে পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
যশোর থেকে আসা ফিরোজ আহমেদ নামের এক যাত্রী বলেন, আজকের ভেতরে নবীনগর না যেতে পারলে আমার স্ত্রীর চাকরি থাকবে না। এছাড়া আমার একটি গাড়ি আছে যেটা দিয়ে আমি ভাড়া টেনে থাকি সেটাও ঈদের আগে থেকে বন্ধ, বেশি দিন গাড়ি বন্ধ থাকলে সমস্যা হতে পারে তাই ঝড়-বৃষ্টি যাই হক কর্মস্থলে যেতেই হবে।
বোয়ালমারী থেকে আসা রাকিব হোসেন নামের আরেক যাত্রী বলেন, জরুরি একটা প্রয়োজনে বাড়ি গিয়েছিলাম। সকাল ৮টায় মোটকসাইকেল নিয়ে রওনা হয়ে ঘাটে এসেছি, কিন্তু এসে বৃষ্টির ভেতরে আটকা পড়েছি।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কার্যালয় (বিআইডাব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. জামাল হোসেন বলেন, মুঠোফোনে দেশ রূপান্তরকে বলেন, বৈরী আবহাওয়ার সাথে ঝড়োবৃষ্টি ও ঢেউ থাকায় নদীতে ফেরি চলাচলে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে, নদীর বড় বড় ঢেউ ফেরিতে আছড়ে পড়াতে সময়ে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে এটা তেমন সমস্যা না। বর্তমানে ছোট বড় মিলিয়ে এই নৌরুটে ৯টি ফেরি চলাচল করছে বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
