রাজধানীর ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুলের ফাঁস হওয়া ফোনালাপ যদি সত্যি হয়, তা নিন্দনীয় এবং অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানিতে এমন মন্তব্য করে।
ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, সেই কমিটির প্রতিবেদনটি ৩০ আগস্টের মধ্যে দাখিলেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ওই দিন আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে।
গত ২৬ জুলাই দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘আমি কিন্তু বালিশের নিচে পিস্তল রেখে ঘুমাতাম’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে ভিকারুন নিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার মুকুল এবং অভিভাবক ফোরামের নেতা মীর সাহাবুদ্দিন টিপুর ফোনালাপে অধ্যক্ষের আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের বিষয়টি উঠে আসে।
এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় ভিকারুন নিসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিচারিক তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে গত রবিবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই ছাত্রীর অভিভাবক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রিট আবেদন করেন।
রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া রাসেল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) বিপুল বাগমার।
আজ শুনানিতে ডিএজি বিপুল বাগমার বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে, এখনো শেষ হয়নি।
পরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ৩০ আগস্টের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়ে ওই দিন আদেশের দিন ধার্য করে হাইকোর্ট।
