স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২১ পালন করেছে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর। সোমবার এ উপলক্ষে অধিদপ্তর কর্তৃক অনলাইনে বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি সচিব মো. আবুল মনসুর। মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য অধ্যাপক ও বঙ্গবন্ধু চেয়ার ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাধীনতার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ই আগস্টে শহীদ সকলের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিলের পর বক্তব্য রাখেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক মরিয়ম বেগম, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার, গোপালগঞ্জের লাইব্রেরিয়ান মো. আল-মামুন হাওলাদার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনিরুল আলম। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক।
কে এম খালিদ বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট এর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করি। প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার কুচক্রী মহলের মূল উৎপাটনের মাধ্যমে দেশকে শাপমুক্ত করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন তার বক্তব্যে ১৫ আগস্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার নীল নকশাকারী ও কুখ্যাত অংশগ্রহণকারীদের স্বরূপ উদ্ঘাটন করে এই ঘৃণ্য চক্রান্ত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সার্বিক দালিলিক ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
