অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রমাণিত হওয়ায় শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন শিকারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গত ১৮ আগস্ট (বুধবার) স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. আবুজাফর রিপন পিএএ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রজ্ঞাপন পত্র থেকে জানা যায়, পরিষদের প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে কোনো সভা না করা, এলজিএসপি প্রকল্প গ্রহণকালে উপকারভোগীদের নিয়ে সভা করার বিধান থাকলেও সভা না করা, প্রকল্পের কাজ ঠিকাদারের মাধ্যমে না করে আত্মীয়ের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ করা এবং ২০২১-২২ ভিজিডি চক্রে ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই পূর্বক অনুমোদিত ২৪০ কার্ডের অনুমোদিত তালিকার বাইরে ১২৫টি কার্ড অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদে ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে।
ওই ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থী বিবেচনায় এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ধারা
৩৪(৪) (খ) ও (ঘ) অপরাধ সংঘটিত করায় ৩৪(১) অনুযায়ী উল্লিখিত ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন শিকারীকে তার স্থায়ী পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ইদিলপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন শিকারী বলেন, আমি এখনও কোনো বরখাস্তর কপি পাই নাই। লোকমুখে শুনেছি বরখাস্ত করা হয়েছে, কেন বরখাস্ত করা হয়েছে, সেটা আমি জানি না।
গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলমগীর হুসাইন মুঠোফোনে বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের আদেশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইদিলপুর ইউপি চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
