করোনায় এক দিনে আরও ৩৫ জনের মৃত্যুতে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৯ আগস্ট দেশে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ২৬ হাজারের মাইলফলক পেরিয়েছিল। ১৬ দিনে মৃতের তালিকায় যুক্ত হলো আরও এক হাজার নাম। তবে সম্প্রতি সংক্রমণ কমার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার গতিও কমে এসেছে। মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজার থেকে ২৬ হাজারে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল ৯ দিন। তার আগে ২৪ হাজার থেকে ২৫ হাজারে পৌঁছেছিল মাত্র ৫ দিনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় পৌনে ৩২ হাজার নমুনা পরীক্ষা করে দেশে ২ হাজার ৭৪ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪০ জন কভিড রোগী শনাক্ত হলো; আর আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হলো মোট ২৭ হাজার ৭ জনের। তবে এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৫৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত এবং ৪১ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল। সে হিসাবে গত এক দিনে মৃত্যু কমলেও শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, শনাক্ত রোগীর হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ, আগের দিন তা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ ছিল। শুধু ঢাকা বিভাগেই গত এক দিনে ১ হাজার ৪৬৯ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
গত এক দিনে মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে ১৫ জনই ছিল ঢাকা বিভাগের। চট্টগ্রাম বিভাগে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। কভিড আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ হাজার ৭৩৫ জন সুস্থ হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৮ জন সেরে উঠল। গত এক দিনে সারা দেশে ৩১ হাজার ৭২৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৯৩ লাখ ৩ হাজার ৮৪৫টি নমুনা। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ; মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, গত এক দিনে ৩৫ জন মারা গেছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন ঢাকা বিভাগের, ৮ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪ জন রাজশাহী বিভাগের, ৪ জন খুলনা বিভাগের, ২ জন বরিশাল বিভাগের এবং ২ জন সিলেট বিভাগের বাসিন্দা ছিল। মৃত ৩৫ জনের ২০ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ৯ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৪ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং ২ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ছিল। তাদের মধ্যে ৩৩ জন সরকারি হাসপাতালে এবং ২ জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
