বন্ধুর মোবাইল চুরি করল বন্ধু, জেনে যাওয়ায় হত্যাচেষ্টা

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩২ পিএম

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মুঠোফোন চুরি করাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে এক কিশোরকে গলা কেটে হত্যা চেষ্টা মামলায় তার দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের ভাঙ্গাজোলা গ্রামের কিশোর শাকিল হোসেনকে (১৬) গলা কেটে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটে। সে ওই গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে।

আহত অবস্থায় শাকিল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শাকিলের দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে ভাঙ্গাজোলা গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলো একই গ্রামের ইমন হোসেন (১৭) এবং সম্রাট  হোসেন (১৬)।

ভাঙ্গুড়া থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) আনোয়ারুল ইসলাম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, বৃহস্পতিবার শাকিলের ঘর থেকে তার ব্যবহৃত একটি স্মার্ট মোবাইল চুরি হয়। পরে জানতে পারেন তারই বন্ধু সম্রাট মোবাইলটি চুরি করেছে। পরদিন শুক্রবার রাতে চুরি করা মোবাইলটি শাকিলকে ফেরত দেয় সম্রাট। এ ঘটনা কাউকে না জানাতে নিষেধও করে সে। কিন্তু ঘটনাটি গ্রামের লোকজনের মধ্যে জানাজানি হলে চরম ক্ষুব্ধ হন সম্রাট। রাত  সাড়ে ১১ টার দিকে শাকিলকে কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ইমন ও নাইমের সহযোগিতায় তাকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালায়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। 

এ ঘটনায় শাকিলের পিতা বাদী হয়ে ভাঙ্গুড়া থানায় মামলা করলে থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে দু আসামিকে গ্রেপ্তার করে। 

অষ্টমনিষা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আয়নুল হক বলেন, ঘটনা কি নিয়ে ঘটেছে তা জানি না। তবে ওই ছেলেটার সামান্য গলা কেটেছে বলে আমি জেনেছি।

এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর আনোয়ারুল ইসলাম আরও জানান, বন্ধুর মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করে পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত