হাতিয়া, সিংড়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ১৫

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৬ এএম

ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর হাতিয়ায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। গত শনিবার সন্ধ্যায় বুড়িরচর ইউনিয়নে জিয়া আলী মোবারক (নৌকা) এবং ফখরুল ইসলামের (আনারস) সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার পর এলাকায় বিরাজ করছে থমথমে পরিস্থিতি।

সংঘর্ষের পর রাতেই গুরুতর আহত আটজনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বুড়িরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরচর গ্রামের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা ধারালো অস্ত্রে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন বলে পুলিশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিশ্চিত করেছে। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে।

প্রসঙ্গত, আজ সোমবার বুড়িরচর ইউনিয়নসহ হাতিয়ার ১০টির মধ্যে সাত ইউনিয়নে ভোট।

হাতিয়া থানার ওসি (তদন্ত) কাঞ্চন কান্তি দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি।

অপরদিকে, নাটোরের সিংড়ায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় এক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাখালগাছা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত মুকুল হায়দার বাবু তাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও চেয়ারম্যান প্রার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানায়, সিংড়ার তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আ.লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী মুকুল হায়দার বাবু শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে প্রচারণায় বের হন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মোটরসাইকেল বহর রাখালগাছা বাজারে পৌঁছালে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও তাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবুর ওপর হামলা করা হয়। এতে আহত হন বাবুসহ তার পাঁচ সমর্থক।

তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন বলেন, মুকুল হায়দার বাবু বহিরাগতদের নিয়ে আমার অফিসের সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ সময় আমার সমর্থকদের সঙ্গে হাতাহাতি হলে তাদের সরিয়ে দিই।

সিংড়া থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত