ঢাকা থেকে জামালপুরগামী কমিউটার ট্রেনে ডাকাতের হামলায় দুজন নিহত ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
দেওয়ানগঞ্জগামী ট্রেনটি বৃহস্পতিবার রাত ১০টার পর জামালপুর পৌঁছালে ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় তিন জনকে উদ্ধার করে জামালপুর জিআরপি থানা পুলিশ।
সংবাদমাধ্যমকে পুলিশ জানায়, ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পাওয়া যায়। উদ্ধার করে দ্রুত তাদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত রুবেল মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রেলওয়ে পুলিশের সার্কেল ইন্সপেক্টর (ময়মনসিংহ) গুলজার হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ট্রেনটি জামালপুরে এলে ছাদ থেকে রক্ত পড়তে দেখে ভেতরে থাকা কয়েকজন যাত্রী পুলিশ এবং গার্ডকে জানায়। এরপর ছাদে উঠে তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পেয়ে জামালপুর সদর হাসপাতালে নিলে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি হলেন জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মিতালী এলাকার মো. ওয়াহিদের ছেলে মো. নাহিদ (৪০)। নিহত অন্য পুরুষ ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। লাশ দুটি জামালপুর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
আহত রুবেল (২২) ইসলামপুর উপজেলার মাঝপাড়া গ্রামের হীরু মিয়ার ছেলে। ঘটনার বিবরণ দিয়ে রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাঁচজনের একটি যুবক দল ট্রেনের ছাদে ওঠে। এক পর্যায়ে তারা দুই ব্যক্তির মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা ওই দুজনকে ছুরিকাঘাত করে। পরে ওই পাঁচ দুর্বৃত্ত ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে নেমে যায়।
কমলাপুর থেকে ট্রেনের ছাদে ওঠা ফারুক নামের এক যাত্রী জামালপুরে সাংবাদিকদের বলেন, গফরগাঁও রেলস্টেশন ছাড়ার পর ট্রেনের ছাদের যাত্রীরা ডাকাত দলের কবলে পড়েন। চার-পাঁচ জনের ডাকাত দলটি নাহিদসহ (পরে নিহত) অনেক যাত্রীর কাছ থেকে মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোন নিয়ে ট্রেনের ইঞ্জিনের দিকে চলে যায়।
