ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ভাই-ভাতিজার কিল-ঘুষিতে মৎস্য ব্যবসায়ী মারা গেছেন। নড়াইলের লোহাগড়ায় ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ‘চোর’ গলা কেটে হত্যা করেছে বৃদ্ধাকে। ঢাকার বাইরের নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতার পাঠানো খবর:
ময়মনসিংহ : তারাকান্দায় বিদ্যুতের পুরনো তার ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে ঝগড়ায় ভাই ও ভাতিজার কিল-ঘুষিতে প্রাণ হারিয়েছেন এক মৎস্য ব্যবসায়ী। নিহত ব্যক্তির নাম মহরম আলী (৪২)। তিনি ইসলামপুর গ্রামের মৃত উশন আলীর ছেলে। গত সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দীর্ঘদিন আগে মহরম আলী চাচাতো ভাই ওমর ফারুক ও ভাতিজা আবু বক্করের সঙ্গে যৌথভাবে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেন। সম্প্রতি পুরনো তার পাল্টিয়ে নতুন তার দিয়ে সংযোগ নেওয়া হয়। গত সোমবার সন্ধ্যার দিকে ওই পুরনো তার ভাগাভাগি করতে ওমর ফারুক ও তার ভাতিজা আবু বক্কর মহরম আলীর বাড়িতে যান। এসময় তার ভাগাভাগি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে চাচাতো ভাই ফারুক ও ভাতিজা বক্করের কিল-ঘুষিতে মহরম ঘটনাস্থলেই মারা যান।
তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের বলেন, এ ঘটনায় সোমবার রাতেই থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
নড়াইল : লোহাগড়া উপজেলার চরমল্লিকপুর গ্রামে পলাশ মাহমুদ (৩২) নামে এক ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় একটি মুদি ও চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পলাশের বাবার নাম খোকন শেখ। বাবার বাড়ি খুলনা জেলায় হলেও তিনি ছোটবেলা থেকে নানাবাড়ি চরমল্লিকপুর গ্রামে বড় হয়েছেন। পলাশের নানার নাম মবজেল শেখ।
নিহত পলাশের মামা লিটু শেখ বলেন, সোমবার রাতে পলাশকে হাঁস খাওয়ার দাওয়াত দিয়ে লোহাগড়া থেকে ডেকে আনা হয়। রাত ৯টার পর চরমল্লিকপুর গ্রামের রমজান ও ইমরানের বাড়িতে খাওয়াদাওয়া শেষে তাকে পাশেই রমজানের দোকানে এনে ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে খুন করে চলে যায়।
কুমিল্লা : নাঙ্গলকোটে নিজ ঘরে জবা খাতুন (৭০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের চাঁন্দলা গ্রামের উত্তরপাড়া থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতের কোনো একসময় চোর তাকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন নাঙ্গলকোট থানার ওসি রকিবুল ইসলাম। জবা খাতুন ওই গ্রামের মৃত আবদুর রশিদ মিয়ার স্ত্রী। তিনি ঘরে একাই থাকতেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারতেন না।
