আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় নিরীহ ১০ নাগরিক নিহতের ঘটনায় দায়ী যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা শাস্তি পাবেন না বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। কাবুল থেকে সেনা প্রত্যাহারের একদিন আগে, গত ২৯ আগস্ট ওই ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে শিশুসহ নিহত হন ১০ বেসামরিক নাগরিক।
গত মাসে প্রকাশিত উচ্চ-পর্যায়ের একটি রিপোর্ট থেকে ওই ঘটনার পর্যালোচনা কমিটি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, যেহেতু কোনো আইন ভঙ্গ হয়নি এবং অসদাচরণ বা অবহেলার কোনো প্রমাণ নেই তাই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কোনো প্রয়োজন নেই। গত সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ড্রোন হামলার ঘটনায় একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের হাতে পৌঁছেছে। সেখানে ওই হামলার জন্য কোনো জবাবদিহির সুপারিশ করা হয়নি। তিনি ওই সুপারিশ অনুমোদন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্ট ওই ঘটনার অনুসন্ধান চালিয়েছে এবং তারা বলছে, হামলায় নিহতরা কেউ আইএস জঙ্গি ছিল না। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের তদন্তে দেখা গেছে, ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় একজন ত্রাণ সহায়তাকর্মী ও তার পরিবারের নয় সদস্য প্রাণ হারান।
