আজ শুভ বড়দিন

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২১ এএম

খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন (ক্রিসমাস ডে) আজ। এই দিনে বেথলেহেমে কুমারী মাতা মেরির কোলে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট। খ্রিস্ট ধর্মমতে, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার, মানবজাতিকে পাপ থেকে মুক্তি দিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে যিশুর আগমন ঘটে পৃথিবীতে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে ধর্মীয় আচার, প্রার্থনা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বড়দিন উদযাপন করছে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা। করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর বড়দিন উদযাপিত হয়েছিল সীমিত পরিসরে। এবার পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বড়দিন উদযাপিত হচ্ছে। শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বড়দিন উপলক্ষে ইতিমধ্যে দেশের সব চার্চ ও তারকা হোটেলগুলোকে ক্রিসমাস ট্রি, রঙিন বাতি, বেলুন ও ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, লা মেরিডিয়ান, ঢাকা রিজেন্সিসহ তারকা হোটেলগুলোকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। হোটেল ও পরিবারগুলোতে নানা ধরনের কেক, পিঠাসহ বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। শিশুদের আনন্দ ও তাদের উপহার দেওয়ার জন্য ঝুলিভর্তি উপহার নিয়ে থাকবেন সান্তা ক্লজ।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ জানান, সারা দেশে ছোট-বড় প্রায় সাড়ে তিন হাজারের মতো চার্চ রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ৮৪টি। আজ রাজধানীর তেজগাঁও ক্যাথলিক গির্জায় (পবিত্র জপমালার গির্জা) সকাল ৭টা ও ৯টায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন থাকছে। রমনা ক্যাথেড্রল চার্চে সকাল ৮টায় এবং দেশের অন্যান্য চার্চেও নির্ধারিত সময়ে প্রার্থনা হবে। এ উপলক্ষে চার্চগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্মল রোজারিও দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘যিশু খ্রিস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন মানব সম্প্রদায়কে অন্ধকার থেকে মুক্তি ও পরিত্রাণের জন্য। মানুষের কল্যাণ, ন্যায্যতা ও সত্যের পক্ষে কথা বলেছেন তিনি। ক্ষমা, ভালোবাসা ও ত্যাগ এগুলোই যিশু খ্রিস্টের শিক্ষা। বড়দিনে তার এই শিক্ষা গ্রহণই আমাদের প্রার্থনা।’ তিনি বলেন, ‘বড়দিন উপলক্ষে ইতিমধ্যে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে নানা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আজ (গতকাল) ও আগামীকাল (আজ) চার্চগুলোতে প্রার্থনা হবে। তবে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রমনের কারণে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হচ্ছে। অনুষ্ঠান ও আচার যেগুলো তা করা হবে সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত