ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মুজিব উদ্যানে দাফন করা হবে। তিনি মৃত্যুর আগে ওসিয়ত করে গেছেন, মুজিব উদ্যানে দাফন করার জন্য।
এদিকে ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল হাজারীর মৃত্যুতে ফেনীজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শহরের মাস্টারপাড়ায় হাজারীর মুজিব উদ্যানে অতীতের সব বিভেদ ভুলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভিড় জমেছে।
সোমবার রাতে হাজারীর বাড়িতে যান ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফেজ আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান সাজু, দিদারুল কবির রতন, মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, রফিকুল ইসলাম খোকনসহ নেতাকর্মীরা।
নিজাম হাজারী বলেন, ‘জয়নাল হাজারীর মৃত্যুতে ফেনীবাসী শোকাহত। আমি ব্যক্তিগতভাবেও শোকার্ত। তিনি রাজনৈতিক নেতা ছাড়াও আমাদের পারিবারিক অভিভাবক ছিলেন। তিনি এই অঞ্চলে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা। তার মৃত্যুতে আমাদের মাঝে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগ তিন দিনের শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফেজ আহমদ বলেন, ‘জয়নাল হাজারীর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। তিনি আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা ছিলেন। তিনি দলের সঙ্গে কখনও বেইমানি করেননি, পুরো জীবন দলের জন্য লড়ে গেছেন।’
সোমবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। ব্যক্তিজীবনে জয়নাল হাজারী চিরকুমার ছিলেন।
১৯৪৫ সালের ২৪ আগস্ট ফেনী শহরের সহদেবপুর নিবাসী হাবিবুল্লাাহ পণ্ডিতের বাড়িতে আব্দুল গণি হাজারী ও রিজিয়া বেগমের সংসারে জন্ম হয় জয়নাল আবেদীন হাজারীর।
