ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতুতে ফোনকলে পারাপার

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০১ এএম

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চাপাইর এলাকায় ধামরাই-মাওনা আঞ্চলিক সড়কে তুরাগ নদের ওপর নির্মিত বেইলি সেতুটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল করায় সেতুর বেশকিছু স্ল্যাব ভেঙে গেছে। এছাড়া সেতুটি সরু হওয়ায় একসঙ্গে যানবাহনের দ্বিমুখী চলাচল করতে পারে না। একপাশের যানবাহন চলাচল করলে অন্যপাশ বন্ধ রাখতে হয়। যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে সেতুর দুই প্রান্তে দুজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করেছে উপজেলা প্রশাসন। তারা ফোনকলের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সিগন্যালের আদান-প্রদান করেন। এভাবে একমুখী চলাচলের কারণে সেতুর দুই প্রান্তে যানজট লেগেই থাকে।

জানা যায়, সেতুর ধারণক্ষমতা ৫ টন হলেও অতীতে এ সেতু দিয়ে ১৫ থেকে ২০ টন পর্যন্ত মালবাহী যানবাহন চলাচল করেছে। ফলে বর্তমানে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও প্রায়ই সেতুর বিভিন্ন অংশের সøাব ভেঙে যাচ্ছে। যার কারণে যানবাহন ও স্থানীয় লোকজনের চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চাপাইর এলাকায় তুরাগ নদের ওপর পুরনো এই বেইলি ব্রিজের পাশ দিয়েও এক বছর আগে নতুন সেতু নির্মাণ শুরু করেছে সওজ। তবে কাজ চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। ফলে পুরনো ও সরু এ বেইলি সেতুটি ভোগান্তি বাড়িয়ে তুলেছে পুরো সড়কের। কয়েকটি এলাকার যোগাযোগের প্রধান সড়ক হওয়ায় এ সড়কে প্রচুর যানবাহনের চলাচল। এই একটি মাত্র স্থানেই দীর্ঘ সময় যানজটে পড়ে থাকতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে। সরেজমিনে দেখা যায়, যানজটের ভোগান্তি কমাতে সেতুর দুই পাশে দুজন নিরাপত্তাকর্মী রাখা হয়েছে। একপাশের নিরাপত্তাকর্মী ফোনকলে জানালে অন্যপাশের নিরাপত্তাকর্মী যানবাহন চলাচল বন্ধ বা চালু করছেন। কিন্তু তবুও দুর্ভোগের শেষ হচ্ছে না।

ট্রাকচালক আলতাফ হোসেন বলেন, সেতুটি দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে স্ল্যাব ভেঙে যাচ্ছে। ভাঙা অংশ মেরামত করা হলেও ভয় থেকেই যায়।’

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. রাশেদ হাসান বলেন, তুরাগ নদের ওপর বেইলি সেতুটিতে ত্রুটি দেখামাত্রই মেরামত করে দেওয়া হয়। এছাড়া চাপাইর সেতুর কাজ এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের মেয়াদের সময়সীমার মধ্যেই কাজ স¤পন্ন করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তৎপর রয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত