বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল পশ্চিমবঙ্গে

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২২, ০১:৫৯ এএম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জারি থাকবে বলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর নবান্নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে ওমিক্রনের সংক্রমণ বাড়ায় রাজ্যের চার পৌরসভার ভোটের দিনও পিছিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল শনিবারই নবান্ন ও নির্বাচন কমিশন এসব সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, সময় বাড়লেও বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে বাড়তি কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। এবার বিয়ে ও মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।

রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিয়েবাড়ি বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একই সময়ে সর্বোচ্চ ২০০ জন কিংবা অনুষ্ঠানস্থলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকের মধ্যে যেটা কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন। এছাড়া খোলা আকাশের নিচে মেলার আয়োজন করা যাবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে কঠোরভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। তবে স্কুল, কলেজ বন্ধই থাকছে। জিম, সুইমিং পুল, সেলুন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

অর্ধেক হাজিরা নিয়ে চলবে সরকারি অফিস। তবে আগের দেওয়া ছাড় বজায় রেখে ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলা থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। নৈশ বিধিনিষেধের সময়সীমাও একই থাকছে।

এদিকে রাজ্যের চার পৌরসভার ভোটের দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকালই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। এক বিবৃতিতে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালতকে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আসানসোল, বিধাননগর, শিলিগুড়ি এবং চন্দননগরে আগামী ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল।

রাজ্যে বর্তমানে যেভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ভোট হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধী দলগুলো। উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরাও। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় শুক্রবার ভোট পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে পরামর্শ দেয় হাইকোর্ট। সেই মোতাবেক ভোটের তারিখে পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত