শিক্ষার্থীদের আড্ডাবাজি

পরিত্যক্ত বরফকল গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি অভিভাবকদের

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১১:২২ পিএম

দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলওয়ে বরফকলের পরিত্যক্ত ‘অবকাঠামো ও ঘুণ্টিঘর’ অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় তরুণ-তরুণীরা নির্জন এ স্থানে আড্ডা জমায়, এমনকি মাদকসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। অভিভাবকরা পরিত্যক্ত এ অবকাঠামো ও ঘুণ্টিঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, দেশের বিভিন্ন স্থানে রেলপথে মাছ ও কাছিম প্রেরণের সময় সেগুলো সংরক্ষণের জন্য এ বরফকলের বরফ ব্যবহার করতেন মাছ ব্যবসায়ীরা। সময়ের ব্যবধানে বরফকলটি কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। রয়ে গেছে বরফকলের ‘অবকাঠামো ও ঘুণ্টিঘর’। পাকিস্তান আমলে পার্বতীপুর রেলস্টেশনের দক্ষিণ প্রান্তের রেল ইয়ার্ডে অবস্থিত পরিত্যক্ত এ স্থানটি ‘বরফকল’ নামে পরিচিত। দিনের পরিক্রমায় পার্বতীপুর শহরে গড়ে উঠেছে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসাসহ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গাছের ছায়ায় ঘেরা পরিত্যক্ত এ অবকাঠামো ও ঘুণ্টিঘর বর্তমানে উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে।

ওই অবকাঠামোর আশপাশে রয়েছে পার্বতীপুর আদর্শ ডিগ্রি কলেজ, মহিলা বিএম কলেজ, রুস্তমনগর মাদ্রাসা ও একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল। অভিভাবকরা জানান, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীরা নির্জন এ বরফকলে আড্ডা জমায়। জড়িয়ে পড়ে মাদকসহ নানা অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকা-ে।

পার্বতীপুর শহরের রুস্তমনগর মহল্লার আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী ও আদর্শ কলেজপাড়া মহল্লার জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, ‘অবিলম্বে পরিত্যক্ত অবকাঠামো ও ঘুণ্টিঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হোক। এতে সমস্যা বহুলাংশে দূর হবে।’

পার্বতীপুর রেলের উপসহকারী প্রকৌশলী (পরিদর্শক কর্ম) তহিদুল ইসলাম বলেন, পরিত্যক্ত অবকাঠামো ও ঘুণ্টিঘরটির এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেলে আমরা যেকোনো সময় এটি ভেঙে দিতে প্রস্তুত রয়েছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত