রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের পর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার বাইডেন হোয়াইট হাউস থেকে জানান, ‘পুতিন আগ্রাসী, তিনি এই যুদ্ধের পথ বেছে নিয়েছেন। এখন তাকে ও তার দেশকে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।’
‘নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলো রাশিয়ার ব্যাংক, শাসকগোষ্ঠী ও উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’
পেন্টাগনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এখন যা প্রত্যক্ষ করছি সেটি পূর্ণমাত্রার আক্রমণের প্রাথমিক স্তর। তারা কিয়েভ দখলের পথে। ইউক্রেন সরকারকে সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত করার উদ্দেশ্য তাদের রয়েছে।’
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, রাশিয়ার প্রাথমিক আক্রমণে ১০০টিরও বেশি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়, কিন্তু একই সঙ্গে মাঝারি-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সামরিক স্থাপনা যেমন, বিমানঘাঁটি, ব্যারাক ও গুদাম লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়। ইউক্রেনের সৈন্যরা প্রতিরোধ করছে ও পাল্টা লড়াই করছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় এই আক্রমণটি, বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে শুরু করে রাশিয়া। তারা পূর্বাঞ্চলে ইউক্রেনের বাহিনীর ওপর আক্রমণ করেন।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এটিকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যার উদ্দেশ্য হিসেবে বলেছেন, প্রতিবেশী দেশটির বেসামরিকীকরণ ও নাৎসীবাদ মুক্তকরণ।
ইউক্রেন এক সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি অঙ্গ রিপাবলিক হলেও, ১৯৯১ সাল থেকে সেটি একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন দেশ হিসেবে বিদ্যমান। সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা
