বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় র্যাব সদর দপ্তরের পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য জানাবে তারা।
এর আগে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটকের কথা জানায় গোপালগঞ্জ পুলিশ, যাদের দুজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী।
বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে গোপালগঞ্জ সদরের নবীনবাগ হেলিপ্যাডের কাছ থেকে তুলে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়।
ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বন্ধুরা জানান, ওই ছাত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে নবীনবাগ হেলিপ্যাডের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় পাঁচ থেকে সাতজন ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইকে এসে ওই ছাত্রী আর তার বন্ধুকে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ভবনে তুলে নিয়ে যায়।
সেখানে বন্ধুকে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এবং ওই ছাত্রী দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী মেসে গিয়ে বন্ধুদের ঘটনাটি জানান।
গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা রাস্তায়
পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলে তারা তাকে গোপালগঞ্জ আড়াই শ’ বেড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে এর প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাও হয়।
তাদের আন্দোলনের কারণে প্রায় ১১ ঘণ্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকে।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. রাজিউর রহমান বাদী হয়ে বুধবার রাতেই সদর থানায় মামলা করেন।
এরপর সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ অ্যান্ড অপারেশন) নিহাদ আদনান তাহিয়ান জানান।
আটকরা হলেন পিয়াস সিকদার (২২), অন্তর (২১) ও জীবন (২০)। এদের মধ্যে অন্তর ও জীবন পরিচ্ছন্নতা কর্মী।
