ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ‘বাংলার সমৃদ্ধি’তে রকেট হামলায় নিহত নৌ-প্রকৌশলী হাদিসুর রহমানকে দাফন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা মোতাহার হোসেন হাওলাদার ও দাদি রোকেয়া বেগমের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে সকাল ১০টায় হাজার মানুষের অংশগ্রহণে হাদিসুরের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ পড়ান হাদিসুরের চাচা মনিরুল ইসলাম।
গতকাল সোমবার দুপুর ১২টা ২০মিনিটে তুর্কি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হাদিসুরের মরদেহ হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর ১টার দিকে লাশ নিয়ে হাদিসুরের গ্রামের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলার উদ্দেশে রওনা হন তার স্বজনেরা। রাত ৯টা ৪০ মিনিটে বাড়িতে তার লাশ পৌঁছায়।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর অলভিয়া বন্দরে আটকে পড়ে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি বাংলার সমৃদ্ধি। সেখানে নোঙর করা অবস্থায় গত ২ মার্চ জাহাজটি রকেট হামলার শিকার হয়। ওই হামলায় প্রাণ হারায় জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. হাদিসুর রহমান।
তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে হাদিসুর রহমান ছিলেন দ্বিতীয়। বাবা আব্দুর রাজ্জাক অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক, মা রাশিদা বেগম গৃহিণী। বড় বোন সানজিদা আক্তার পেশায় নার্স। ছোট ভাই গোলাম মাওলা প্রিন্স ঢাকায় লেখাপড়া করেন। মেজ ভাই তরিকুল ইসলাম থাকেন পটুয়াখালীতে।
