মীমকে ধাক্কা দেওয়া গাড়ির চালক ও সহকারী রিমান্ডে

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২২, ০৫:৩২ এএম

কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাইশা মমতাজ মীমের মৃত্যুর ঘটনায় চালক সাইফুল ইসলাম ও তার সহকারী মশিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

গতকাল রবিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর ছিদ্দিকির আদালত দুই আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার এসআই রিপন কুমার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। গত শুক্রবার রাতে সাইফুল ও মশিউরকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেদিন সকালেই কুড়িল ফ্লাইওভারে কাভার্ড ভ্যানটি মীমের স্কুটিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মীম। পরের দিন সন্ধ্যায় খিলক্ষেত থানায় ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনে মামলাটি করেন মীমের বাবা নূর মোহাম্মদ মামুন।

প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত : এদিকে সড়কে এই মেধাবী ছাত্রীর প্রাণহানির ঘটনার প্রতিবাদে ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা চালুকরণসহ ৮ দফা দাবিতে রাস্তায় নামেন বিশ^বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। শনিবার বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন তারা। দাবিদাওয়া পূরণের জন্য প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। সেসব দাবি পূরণ না হওয়ায় গতকাল রবিবার বিশ^বিদ্যালয়ের ৮ নম্বর গেটে ফের মানববন্ধন শুরু করেন তারা।  বেলা ১টা থেকে এই মানববন্ধন চলাকালে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আতিকুল ইসলামের প্রতিনিধি হিসেবে প্রক্টর আবু নোমান আতাহার ও প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা আন্দোলনকারীদের কাছে গিয়ে গণপরিবহন চালুর বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে অন্য দাবিগুলোর বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তারা। 

আন্দোলনকারী একাধিক শিক্ষার্থী দেশ রূপান্তরকে বলেন, কিছু দাবি মেনে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আর বাকি দাবিগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে প্রশাসনের পক্ষ থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া রমজান মাসে জনদুর্ভোগ ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আপাতত আন্দোলন-কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবিগুলো পূরণ না হলে প্রয়োজনে রমজানের পর আবারও আন্দোলনে নামবেন তারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত