করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীসহ আট আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে সর্বশেষ সাক্ষী হিসেবে ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া সাক্ষ্য দেন। পরে ১১ মে আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির দিন ধার্য করে আদালত। এ মামলায় ৪০ জনের মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে আদালত।
সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান এসব তথ্য জানান।
২০২০ সালের ২৩ জুন রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলাটি করেন কালাম নামে একজন ভুক্তভোগী। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয় ডা. সাবরিনা ও তার স্বামীর প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার। এর বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেনডা. সাবরিনার স্বামী জেকেজির সিইও আরিফুল হক চৌধুরী, তার সহযোগী সাঈদ চৌধুরী, ‘জালিয়াত চক্রের’ হোতা হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী তানজীনা পাটোয়ারী, নির্বাহী অফিসার শফিকুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্সের স্বত্বাধিকারী জেবুন্নেছা রিমা, বিপ্লব দাস ও মামুনুর রশীদ। সব আসামিই কারাগারে রয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণকালে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
২০২০ সালের ৪ আগস্ট গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ২০ আগস্ট সাবরিনাসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।
