নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের সেনপাড়া গ্রামে সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে এ মামলাটি করেন নিহত আবদুল করিম সরকারের ছেলে সাদেক সরকার।
এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে নিহতের ভাতিজা সাবেক ইউপি সদস্য দাইয়ান সরকারকে। এছাড়া আসামির তালিকায় নাম আছে নিহতের ভাগিনা বারদী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হকসহ আট ভাতিজা, ছয় ভাগিনা ও দুই নাতিসহ ৩৫ জন।
এ ব্যাপারে বারদী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক বলেন, আমার ও আমার লোকজনের নামে ‘মিথ্যা’ মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি হাফিজুর ইসলাম জানান, গত ২০ তারিখে করিম সরকার নামের এক ব্যক্তি মারা যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ছেলে সাদেক ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছেন। উল্লেখ, গত ১৩ এপ্রিল উপজেলার বারদী ইউনিয়নের বারদী বাজার এলাকায় বর্তমান ইউপি সদস্য যুবলীগ কর্মী নাজমুল হকের চাচা মুজিবুল্লাহর সঙ্গে আওয়ামী লীগ কর্মী জাকির সরকার ও ইব্রাহিম ইবু পক্ষের হাসানের সঙ্গে বংশ নিয়ে তর্কের একপর্যায়ে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
